বেশভূষা

in আমার বাংলা ব্লগ22 hours ago

27963.jpg
source

প্যাঁচ নাই কথায়, সবকিছু সোজাসাপ্টা। ব্যাখ্যা, অপব্যাখ্যা কত কিছুই তো চলছে। কোনটা শুনছেন, কোনটা মানছেন, কোনটা মাথায় রাখছেন— এসব ব্যক্তি বিশেষে কিংবা মানসিকতার উপর নির্ভর করে।

ইঞ্চি ইঞ্চি মেপেও ভেতরের বৈষম্য দূর হয় না। এটা অনেকটাই ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া তরল পদার্থের মতো।

অহংকারহীন কেউ নেই, নিজের জবান প্রতিষ্ঠায় সবাই মরিয়া। কত যুক্তি-তর্কের বেড়াজাল কিংবা বিশ্লেষণের সমাহার, মনে হয় যেন সর্বত্রই বুজুর্গের ছড়াছড়ি।

বৈষম্যহীন সমাজ, পুঁজিবাদকে নিয়ন্ত্রণ, মনুষ্যত্বের প্রসার, মানবিকতার জয়জয়কার কিংবা প্রকৃত অর্থেই স্বদেশপ্রীতি বা পৃথিবীপ্রেম— এসব শুধু মুখেই। বাস্তবেও টুকটাক সাদৃশ্য দেখা যায়, তবে সীমিত পরিসরে।

আখের গোছানোতে সবাই ব্যস্ত — তিতা কথা, তবে সত্য। কতজন কতভাবে ফন্দি আঁটছে, তা কি তোমার-আমার নজরে পড়ছে? মোটেও না। নজর এড়ানোর পাঁয়তারা চলে কিংবা চলছে।

কেউ অহংকারমুক্ত নয়, অহংকারের আবর্জনা সবার ভেতরে আপাদমস্তক ভরে আছে। মাঝে মাঝে সবাই কাপড়চোপড় পরিবর্তনের মতো নিজেদের বেশভূষা খানিকটা ঘষামাজা করে। আর তাতেই সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।

ব্যাপারটা বুঝতে পারা ভীষণ সহজ। অনেকেই বোঝে, কেউবা চুপচাপ থাকে। চুপচাপ থাকা দোষের না, তবে ভণ্ডামি বুঝতে না পারা অতীব দুঃখের।