বিরক্তিকর অবস্থা।
কবিতা পাঠ সংসদে না করে, প্রকৃতির কাছাকাছি এসে করুন।
যে জায়গায় গণমানুষের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রতিনিয়ত শব্দ উচ্চারিত হওয়ার কথা, সেখানে অহেতুক শ্লোক বড্ড বেমানান।
মাননীয় সংসদ সদস্য, আপনার সময় পাঁচ মিনিট।
দয়া করে গণমানুষের কথা বলুন, যাতে মানুষের আত্মা শান্তি পায়।
গত কয়েকদিন ধরে সংসদের অধিবেশন দেখে অনেকটাই চিন্তিত হয়ে গিয়েছি। যারা কথা বলছে, তারা শুধু ক্রমাগতই কথা বলছে; আর যারা মাঝে মাঝে সুযোগ পাচ্ছে, তারাও চেষ্টা করছে টুকটাক যৌক্তিক কথা বলার এবং বাকি সবার নজর কেড়ে নেওয়ার।
তবে কিছু কিছু সংসদ সদস্যের বক্তব্য শুনে সম্পূর্ণ হতাশ। কেউ কবিতা আবৃত্তি করছে, কেউ শ্লোক, কেউবা গানের কলি ব্যবহার করছে।
গণমানুষের দাবি-দাওয়া যেখানে উচ্চারিত হওয়া মুখ্য বিষয়, সেখানে অহেতুক শ্লোকগুলো শুনতে কিছুটা তিক্ততার জন্ম দেয়। তার মধ্যে সময়টাও নির্ধারিত—সাধারণ মানুষের কথা কখন উঠবে? অথচ এই মানুষগুলো সাধারণ মানুষের আশা-প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্য নিয়েই কিন্তু সেখানে গিয়েছেন।
তবে বাস্তবতা বড্ড হতাশাজনক। সাধারণ জনগণ বরাবরই বলির পাঁঠা—ভোটের সময় ব্যবহার হয়েছে, আর এখন তাদের জনপ্রতিনিধির সংসদে কবিতা পাঠ শুনে অবাক হচ্ছে।
তারপরও তীর্থের কাকের মতো চেয়ে আছে প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে। যদি ছিটেফোঁটা কিছুটা পূরণ হয়, সেটাই বা কম কিসের!
একদম জগাখিচুড়ি অবস্থা। কেউ কেউ তো বিরক্ত হয়ে খবরগুলোও ঠিকঠাকভাবে শুনছে না।
বড্ড বিরক্তিকর সময় যাচ্ছে সব মিলিয়ে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟