এই ধ্বংসের দায় কার?
ধরুন, আপনার বাড়ি পৌরসভার ভেতরে, নতুবা এর আশেপাশের কোনো ইউনিয়নে। যদি তাই হয়, তাহলে চলুন—বাড়তি কথা না বলে সোজা কাজের কথায় আসি।
আপনার আশেপাশে যে সকল উঠতি বয়সী তরুণ প্রতিনিয়ত ঘুরঘুর করে, তাদের অধিকাংশই মাদকাসক্ত। বয়স বড়জোর পনেরোর অধিক, নতুবা ত্রিশের নিচে। মাধ্যমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া—কিংবা অনেকেই পড়াশোনার পর্ব চুকিয়ে কোনো না কোনো কাজের সঙ্গে জড়িয়েছে। তবে সেসব কাজ খুব আহামরি কিছু নয়।
মদ, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল কিংবা ইয়াবা—এসব তো ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তাই তারা এখন ট্যাপেন্টায় ব্যস্ত।
দিন বদলায়, সময় গড়ায়, আর সেই সঙ্গে মাদকাসক্তদের নেশার ধরনও বদলায়। নেশার এই পরিবর্তন এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে, জুতার আঠা থেকে শুরু করে ব্যথানাশক ট্যাবলেট—সবকিছু দিয়েই এখন দেদারছে নেশা করা হচ্ছে।
কী বিশ্রী এক অবস্থা! ব্যথানাশক ট্যাবলেট গুঁড়া করে ফয়েল পেপারের ওপর ছিটিয়ে পুড়িয়ে খাওয়া হচ্ছে। আচ্ছা ভাই, খাওয়ার মতো আর কি কোনো জিনিস নেই? শেষমেষ ব্যথার ওষুধ গুঁড়া করে খেতে হচ্ছে—পৃথিবীতে কি খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে নাকি?
বিগত কয়েক দিনে কয়েকটি মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এগুলোকে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেব না; বলব, তারা স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছে। আর সেক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে তথাকথিত কিছু সামাজিক কীটপতঙ্গ।
ফুসফুসে পানি জমা, শ্বাসকষ্ট, রক্তশূন্যতা, কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, মানসিক বিকৃতি—এসব তো আছেই। তাছাড়া চুরি-ছিনতাই, পারিবারিক, সাংসারিক ও অর্থনৈতিক ঝামেলা—এসব এখন রোজকার ঘটনা।
যদি এতক্ষণ উপরোক্ত লেখাগুলো পড়ে থাকেন, তাহলে আমি আপনার কাছে একটি প্রশ্ন করতে পারি—সমাজটাতে তো আপনিও থাকেন, তরুণদের সঠিক পথে ফেরানোর জন্য কী ভূমিকা পালন করছেন?
নাকি ভাবব, সামাজিক কীটপতঙ্গদের মতো মাদকের সহজলভ্যতা তৈরিতে আপনিও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন?
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR




