কে জানে তা ?
সৌন্দর্য ছড়াই, নিজেকে উজাড় করে দিয়ে। প্রত্যাশা কমুক, চাহিদা স্বল্প হোক কিংবা এই দূষণের মাঝে কোনো রকম বেঁচে থাকাই তো মুখ্য বিষয়।
একটু যে সুস্থভাবে চিন্তা করবেন, সেই সুযোগ নেই; দূষণের ভিড়ে যেন সবকিছুই নিঃশেষ হওয়ার পথে। তারপরও দেখুন না, এই তরতাজা গোলাপগুলো ফুটে রয়েছে, যার কাজই শুধু সৌন্দর্য ছড়ানো। বিনিময়ে কী-ই বা পাচ্ছে ! নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে।
শিক্ষার আসলে শেষ নেই। কোথায় কোন শিক্ষা লুকিয়ে আছে, তা বলা মুশকিল। একটুতেই হাঁপিয়ে উঠছি, দূষণের ভিড়ে শেষ হওয়ার উপক্রম; তারপরও দেখুন না, গোলাপ কিন্তু নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। সৌন্দর্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র লজ্জাও করেনি। আসলে যার যেটা ধর্ম কিংবা কর্ম।
আচ্ছা, মানুষের ধর্ম-কর্ম কবে ঠিক হবে, কিছু জানেন কি? নাকি এই দূষণের ভিড়ে নিজেরাও নিমজ্জিত হয়ে শেষ হয়ে যাবে? কী একটা অবস্থা, তাই না!
আফসোস কিংবা হতাশা ছাড়া অন্য কোনো কিছুই আর কাজ করে না।
অথচ মানুষ চাইলে সবই সম্ভব— সেই দূষণমুক্ত থাকা থেকে শুরু করে সৌন্দর্য ছড়ানো পর্যন্ত।
শুধু মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। কিন্তু কবে যে সেই মানসিকতার পরিবর্তন হবে, কে জানে তা!
