কনকনে ঠাণ্ডা
শহরে থাকার সময় তীব্র শীতেও সেভাবে ঠান্ডা অনুভূত হতো না। এর পেছনে অবশ্য অনেক কারণ আছে—ঘনবসতি, বিপুল জনসংখ্যা, আর চারদিকে কংক্রিটের উঁচু উঁচু ভবন। দরজা-জানালা বন্ধ করে দিলে ঠান্ডা তেমন আর লাগত না বললেই চলে। এমনও সময় গেছে, প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও ঘরের ভেতরে ফ্যান চালিয়ে থাকতে হয়েছে।
এ তো গেল শহুরে জীবনের কিছু মুহূর্তের কথা। কিন্তু গ্রামে আসার পর থেকেই দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে। চারদিকে প্রচুর গাছপালা, তার ভেতরে উন্মুক্ত ফসলের মাঠ ঘিরে আছে পুরো গ্রামকে। জনবসতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। হয়তো এতক্ষণে কিছুটা হলেও অনুমান করতে পেরেছেন—গ্রামীণ অঞ্চলের শীতের আবহাওয়া কেমন হতে পারে।
যাই হোক, একটু পরিষ্কার করে বলার চেষ্টা করছি। গত কয়েক দিন আগেও শীতের প্রকোপ খুব একটা বেশি ছিল না, বলা যায় সহ্যসীমার মধ্যেই ছিল। কিন্তু শেষ দুদিন ধরে হালকা বাতাস বইতে শুরু করেছে।
এমনিতেই আমি উত্তরাঞ্চলে আছি, তার মধ্যে একেবারে প্রান্তিক এলাকায়। যেভাবে বাতাস বইছে, তাতে মনে হচ্ছে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডার তীব্রতা আরও অনেকটাই বেড়ে যাবে।
এখানকার জীবন শহুরে জীবনের মতো নয়—দুটোর মধ্যে বিস্তর তফাৎ। পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে এই কনকনে শীতে গ্রামের মানুষের বেঁচে থাকাটাই আমার কাছে অনেকটা সংগ্রামের মতো মনে হয়।
ইচ্ছে করেই দুদিন ধরে তেমন বাইরে বের হচ্ছি না। এখন যখন লিখছি, তখনও টিনের চালে অবিরাম টিপটিপ করে কুয়াশা পড়ছে। যেই না একটু জানালা খুলতে চেষ্টা করেছি, মনে হলো যেন ঠান্ডা বাতাস কাঁটার মতো শরীরে বিঁধে গেল।
সবাই তো আর সচ্ছল নয়। তবু এই প্রান্তিক অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষগুলো যেন এই কনকনে শীতে ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে—আপাতত এটাই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR






এই বছর এখনো আমাদের এদিকে সেভাবে শীত পড়েনি। তবে আজকে সন্ধ্যার পর কিছুটা বাতাস ছিলো বলে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে। যাইহোক আপনাদের দিকে তো প্রচন্ড শীত পড়েছে। তাই মোটা কাপড় পরিধান করবেন ভাই। তবে এটা ঠিক যে,গ্রামে কিন্তু শীতকাল বেশ উপভোগ করা যায়। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।