খামারবাড়ি।
গত দুদিন আগে স্থানীয় এক খামারবাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। যেহেতু বিকেলের দিকে প্রতিদিনই কমবেশি এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করি, ঠিক ওই জায়গা থেকেই চেষ্টা করেছিলাম খামারবাড়ি এলাকায় যাওয়ার জন্য।
মূলত পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক ভদ্রলোক তার বাড়ির পিছনে হাঁস-মুরগির শেড করেছেন এবং তার পাশেই একটি ছোট পুকুর রয়েছে। সেখানে মাছ চাষের ব্যবস্থা করেছেন এবং পুকুরপাড়জুড়ে সবজি ও ফলের গাছ লাগিয়েছেন। এর পাশেই রয়েছে তাদের ফসলের জমি।
মজার ব্যাপার হলো, খামারের শুরুতেই ভদ্রলোকের ছোট একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। সঙ্গে নিজের থাকার বাড়ি, আর পিছনের ফাঁকা জায়গাতেই খামারের এই কর্মযজ্ঞ গড়ে তুলেছেন।
আসলে কাজ করার ইচ্ছা থাকলে অনেকভাবেই নিজেকে কর্মে নিয়োজিত করা যায়—তারই প্রমাণ যেন স্বচক্ষে দেখলাম। আমি বরাবরই বেকার তরুণদের লেখার মাধ্যমে কোনো না কোনো বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করি। এ যাত্রাতেও হয়তো তেমন কিছুই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
শুধু একটা কথাই বলতে চাই—বেকার বসে না থেকে, নিজের যা আছে তা দিয়েই ছোট পরিসরে হলেও কাজে লেগে পড়ুন। হয়তো এই মানসিকতাই আপনাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
