ঘাটতি
বাঙালির আছে শুধু পেট-ভরা চেতনা আর মগজ-ভর্তি ভণ্ডামি। এদের দেখে কিঞ্চিৎ অবাক হই না, বরং ভাবি—কত দ্রুত এরা গিরগিটির মতো রং পাল্টায়! এই শোক, এই ব্যথা, এই আনন্দ, এই হাসি কিংবা নির্মম বর্বরতা—সবকিছুতেই যেন এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা।
শুধু একটা ইস্যু পেলেই হলো, দেখবেন কত দ্রুত এরা উন্মাদ হয়ে যায়। বোঝা নেই, শোনা নেই—তখন শুধু সেই ইস্যু নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
অনেকটা নাছোড়বান্দা স্বভাবের। এদের দেখলে বিরক্তি আপনা-আপনি চলে আসে। নিজেকে স্থির রাখাও কঠিন হয়ে যায়, বরং ইচ্ছে করেই স্থান ত্যাগ করতে মন চায়।
পুরো একটা উন্মাদ জাতি! স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হবে কবে? শুধু সমালোচনা আর সমালোচনা—সমাধানের কোনো পথ নেই। অনুতপ্ত হওয়া কিংবা অনুশোচনার বোধশক্তি যেন এরা হারিয়েই ফেলেছে। বর্বরতা প্রতিনিয়ত এদের আরও অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে। সভ্য হবে কবে এরা?
আর যারা একটু সভ্য চিন্তাভাবনা করে, তারাও এদের কর্মকাণ্ডে হাঁপিয়ে ওঠে। রাজনীতি কিংবা ক্ষমতা দিয়ে কোনো জাতিকে সভ্য বানানো যায় না।
একটি জাতিকে সত্যিকার অর্থে সভ্য করে তোলে প্রকৃত শিক্ষা। আর সেই প্রকৃত শিক্ষার ঘাটতিই আমাদের সমাজে প্রতিনিয়ত প্রকট হয়ে উঠছে।
