মানুষ পড়ার পাঠ
কেউ একজন ভ্রু কুঁচকে দেখার চেষ্টা করছিল। কারও বিরক্তির কারণ নতুন নয়; বরং দিনকে দিন ভ্রু কুঁচকে দেখার মানুষগুলোর সংখ্যা বাড়ছে।
মানুষ যখন পড়তে শিখবেন, তখন থেকেই দেখবেন—শুকনো বলে কোনো পথ নেই; বরং সব পথ পিচ্ছিল এবং ফেলে দিয়ে আছাড় খাওয়ানোর জন্যই সবাই ওৎ পেতে আছে।
আপনি যৌক্তিকভাবে বোঝার চেষ্টা করবেন এবং পোক্ত কথা বলবেন—এটা শোনার জন্য কেউ প্রস্তুত নয়। হোক সে সুট-বুট পরা ফুলবাবু কিংবা খেটে খাওয়া দিনমজুর—সুবিধার বাইরের কথা শুনতে সবাই ভীষণ অপ্রস্তুত।
বুদ্ধিভিত্তিক চিন্তা নেই—এ কথা বললে ভুল হবে। বুদ্ধিভিত্তিক চিন্তার চর্চা আছে, তবে তা অন্যকে আছাড় খাওয়ানোর জন্য। এই যে এত চিকন পিনের বুদ্ধি—এসব যদি প্রকৃত অর্থেই যৌক্তিক কাজে প্রয়োগ করা যেত, তাহলে হয়তো অনেক কিছুই পরিবর্তন হতো।
পরিবর্তন আসলে কল্পনাতেই মানানসই; যার কারণে কোনো কিছুই বাস্তবে প্রয়োগ হয় না। তাছাড়া চারপাশকে এমন ভয়ব্যাধিতে জর্জরিত করে রাখা হয়েছে যে, এই জর্জরিত অবস্থা উপেক্ষা করে কেউ স্বাচ্ছন্দ্যে পা ফেলবে—তেমন সুযোগ নেই।
এতসবের পরেও মনে হয়—অবস্থান-কাল-পাত্র ভেদে, কারও ব্যবহারের পাশা খেলার গুটি না হয়ে বরং যদি ঠিকঠাকভাবে মানুষ পড়তে শেখা যায়, তবে অন্তত কিছুটা কাজের কাজ আশা করা যায়।
সারমর্ম আলাদা করে কিছু নেই; যা বলার তা লেখাতেই আছে। মানুষ চেনা যেমন জরুরি, তেমনি হুটহাট মানুষ পড়তে জানাও বড্ড দরকার।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





