প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-৭)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। তবে কতটা সুস্থ থাকতে পারবো সেটা হয়তো থেরাপি শেষ হওয়ার পরই বলতে পারবো কিন্তু আমি আশাবাদি এবং এই ক্ষেত্রেও নিরাশ হতে চাই না। তবুও সময় এবং ধৈর্য দুটোই হয়তো সর্বদা আমাদের সাথে থাকে না, মাঝে মাঝে অধৈর্য আমাদের সব কিছুকে নষ্ট করে দেয়। আবার সময়ের প্রভাবে আমাদের মানসিকতাও অস্থির হয়ে পরিবর্তন হয়ে যায়। সুতরাং আগ বাড়িয়ে এখন যত কিছুই বলি না কেন, পরবর্তীতে সেটা নাও হতে পারে, চুপ থাকছি।
আজকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানার সপ্তম পর্ব শেয়ার করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি। আসলে প্রকৃতির সান্নিধ্য আমাদের প্রতিটি মানুষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়, যদিও আমরা সেটা স্বীকার করি কিন্তু মানতে পারি না। কারণ আমরা সবাই যার যার অবস্থান হতে খুব বেশী ব্যস্ত, আমাদের সব কিছু হয় কিন্তু প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার সময় ও সুযোগ কোনটাই হয় না, এটাই হয়তো আমাদের জন্য নির্মম বাস্তবতা এবং জীবনের ক্ষেত্রে হতাশার কারণ। কারণ ঔষধ ছাড়া রোগ ভালো হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না, আর হলেও সেটা হয়ে যায় অপ্রত্যাশিত বিষয়, যেটা আবার বার বার ঘটার কোন সম্ভাবনা থাকে না। যাইহোকা, আমরা মূল পর্বে চলে যাচ্ছি।
ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে চারপাশটা ভালোভাবে দেখার চেষ্টা করেছি, বিশেষ করে সেলফিতে যারা খুব বেশী ব্যস্ত ছিলেন তাদের দেখে কিছুটা হাসি চেপে রাখতে পারাটা ভীষণ রকমের চ্যালেঞ্জ ছিলো আমার জন্য। না না না আমি মোটেও তেমন কিছু করার চেষ্টা করি নাই। বরং আমি দ্রুত সেখান হতে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে আমায় দেখে কেউ আবার বিরক্তবোধ না করেন, হি হি হি। সুন্দর মুহুর্ত কে নষ্ট করতে চায় বলেন?
প্রথমে আমি হরিণের খাঁচা পেলাম সম্মুখে, মানে ঢোকার পর প্রথম দর্শনে হরিণ দেখেছিলাম। অবশ্য সেখানে কয়েক ধরণের হরিণ ছিলো, শুরুর দিকে যেমন একটা খাঁচা ছিলো ঠিক তেমনি একদম ভেতরেও আরো একটা খাঁচা ছিলো। যদিও প্রথমে সেটা বুঝতে পারি নাই, এখানে আমরা অনেকটা সময় ব্যয় করেছি। অর্থাৎ প্রথম খাঁচার সম্মুখে একটু বেশী সময় নিয়ে ছিলাম। অনেকটা সময় পর বুঝলাম হরিণগুলো বসা হতে আর উঠে দাঁড়াবে না।
ভেবেছিলাম হরিণগুলো একটু সামনের দিকে আসলে ভালোভাবে কিছু দৃশ্য ক্যাপচার করবো। আমার ফোনটা আবার খুব বেশী ভালো না তাই জুম করে দৃশ্য ক্যাপচার করলেও অতোটা ভালো হয় না। দূর হতেই কয়েকটি দৃশ্য ক্যাপচার করে দাঁড়িয়েছিলাম। এরপর পরের খাঁচার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলাম। কারণ সময় খুব বেশী নেই, পুরোটা কাভার করতে না পারলে পয়সা উসুল হবে না আবার হি হি হি।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR








