সন্দ্বীপ ভ্রমণ - পর্ব ১২
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি তবে যথারীতি এখনো পায়ের ব্যথার সাথে লড়াই করে যাচ্ছি। প্রচণ্ড উষ্ণ প্রকৃতি, বাহিরের গরমে হৃদয় অস্থির হয়ে যাচ্ছে, আর অন্য দিকে পায়ের ব্যথার সাথে যুক্ত হয়েছে ফিজিওথেরাপিষ্টের ডাবল পেইন সহ্য করার থেরাপি, সুতরাং বুঝতেই পারছেন ভেতরে এবং বাহিরে কেমন অবস্থায় টিকে আছি আমি। সত্যি বলতে মাঝে মাঝে এক অদ্ভুত সমীকরণের ফাঁদে আটকে যাই, আটকে যায় আমাদের জীবনের গতি, অনেকটা এমন অবস্থায় পড়ে গেছি আমি।
এবারের গরমের মাত্রাটা তুলনামূলকভাবে একটু বেশী হবে সেটা হয়তো আমরা অনেকেই অনুমান করেছিলাম কিন্তু সেটার মাত্রাটা এমন হবে যেখানে মোটেও বৃষ্টির উপস্থিতি থাকবে না সেটা হয়তো কল্পনায় ছিলো না। আসলে বৃষ্টি বিহীন প্রকৃতি কখনো সুন্দর ও সতেজ হয় না, সেটা এবার বেশ ভালোই টের পাচ্ছি আমরা। যাইহোক, মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি, সন্দ্বীপ ভ্রমণের আরো একটা পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আসলে শারীরিক সমস্যা এবং পায়ের ব্যথার কারণে ঠিক মতো পোষ্টও লিখতে পারছি না, ল্যাপটপে বসার খুব একটা ইচ্ছাও জাগে না।
যাইহোক, প্রকৃতির সবুজ সতেজার মাঝে দারুণ অনুভূতি নিয়ে হাঁটতেছিলাম, অনুভূতিটা বেশ সুন্দর হয়ে উঠেছিলো তখন। প্রকৃতির সান্নিধ্য সত্যি অনেকটাই এমন, মুহুর্তের মাঝেই আপনার অনুভূতি পাল্টে যাবে। সারি সারি সবুজ গাছের মাঝে নির্মল পানির পুকুর। তবে সব পুকুরই যে এমন সেটা কিন্তু নয়। অনেক পুকুরের চারপাশে আবার বাড়িঘরও রয়েছে এবং সেগুলোর চারপাশটা আবার বেশ সুন্দরভাবে বাঁধানো।
কিছু কিছু যেমন কাঁচা মাটির রাস্তা, আবার কিছু কিছু তার উল্টোটা অর্থাৎ পাকা রাস্তা। সত্যি বলতে যেখানে মানুষের চলাচল বেশী কিংবা ঘরবাড়ি বেশী সেখানকার দৃশ্যগুলো একটু বেশী ভালো, পাকা সড়কের কারণে। কিন্তু আমার কাছে মাটির সড়কগুলো বেশী ভালো লেগেছে এবং সেগুলোকে একটু বেশী জীবন্ত মনে হয়েছে। শহরের মতো কৃত্রিমত্তায় ভরা মনে হয় নি। সথ্যি বলতে যেখানে যেটা ভালো মানায়।
সেদিন বেশ সময় নিয়ে হেঁটেছিলাম, সত্যি বলতে এই একদিনই সুযোগ পেয়েছিলাম কিছুটা প্রশান্তি নিয়ে হাঁটার। কারণ চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের জন্য সন্দ্বীপ গিয়েছিলাম, তাই এর পরের সময়গুলোতে ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পরি, তাই চারপাশের সবুজ প্রকৃতি দেখার এবং ফটোগ্রাফি করার এটাই ছিলো শেষ সুযোগ। তাই একটু বেশী সময় নিয়ে সুযোগটাকে ঠিক মতো কাজে লাগিয়েছিলাম, নাহলে হয়তো এই ছবিগুলোও আর ক্যাপচার করা হতো না।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR








