লালনের মাজার ভ্রমণ পর্ব-১
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। আমি আপনাদের সবার দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আপনারা জানেন আমি প্রতিনিয়তই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার গল্প এবং ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করে থাকি। আজও তার ব্যতিক্রম না। আমি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে খুবই ভালোবাসি যখনই সুযোগ পাই তখনই বেরিয়ে পড়ি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে। এই তো কিছুদিন আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম কুষ্টিয়ার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে। ইতিমধ্যে আমি রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি র ১৪ টি পর্বের মাধ্যমে গল্পটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আজ আমি চলে এসেছি কুষ্টিয়ারী বিখ্যাত একটি জায়গা ফকির লালনের মাজার। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আজকের প্রথম পর্বের গল্প।
কিছু ভ্রমণ থাকে যা শুধু চোখে দেখা নয় বরং হৃদয়ে অনুভব করার। ফকির লালন সাঁইয়ের মাজারে যাওয়াটাও ঠিক তেমনই এক অভিজ্ঞতা। কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত এই স্থানটি শুধু একটি মাজার নয় এটি বাংলার আর বাউল দর্শনের এক চিরন্তন আশ্রয়স্থল। কিছুদিন আগে সুযোগ হয়েছিল বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের মাজারে ঘুরে যাওয়ার। আগেও লালন সম্পর্কে পড়েছি গান শুনেছি তাঁর দর্শন নিয়ে ভেবেছি। কিন্তু সরাসরি তাঁর স্মৃতিধন্য স্থানে গিয়ে দাঁড়ানো সে অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন।
তবুও চেষ্টা করছি অনুভবের কিছুটা অন্তত শব্দে বেঁধে রাখতে ফকির লালন সাঁই একটি নাম একটি দর্শন একটি সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা। তাঁর জন্ম ও ধর্মপরিচয় নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ আর সম্ভবত এটাই তাঁর দর্শনের সবচেয়ে বড় শক্তি। এক অন্যরকম শান্তি মাজার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই প্রথম যে জিনিসটি চোখে পড়ে তা হলো অসাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও সবুজে মোড়ানো পরিবেশ। চারপাশে ছায়াঘেরা গাছ সুপরিকল্পিত ফুলের বাগান পরিচর্যায় ভরা সব মিলিয়ে জায়গাটি।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



