লালনের মাজার ভ্রমণ পর্ব-৩
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভালো আছি। লালন শাহের মাজারের ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব আপনাদের মাঝে আমি শেয়ার করেছি আজ আমি চলে এসেছি তৃতীয় পর্ব নিয়ে। আশা করি আগের পর্বের মতোই এই পর্বটিও আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
দর্শনের পাঠশালা মাজার প্রাঙ্গণের পাশেই অবস্থিত লালন একাডেমি ভবন। এই জায়গাটি যেন সারাক্ষণ জীবন্ত থাকে। দিনের বড় একটা সময় এখানে লালনের ভক্তরা বসে গান করেন। কেউ একা কেউ দলবদ্ধভাবে এখানে বসে গান শোনার অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। এটি কোনো মঞ্চের পরিবেশ নয় বরং খোলা মন আর মুক্ত আত্মার এক আসর। দর্শনার্থীরাও নির্দ্বিধায় এসে বসে কেউ কেউ গানের তালে তালে চোখ বন্ধ করে ডুবে যায় নিজের ভেতরে। লালন সাঁইয়ের স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নীরব সাক্ষী মাজারের পাশেই রয়েছে লালন সাঁই স্মৃতি জাদুঘর যা এই ভ্রমণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
জাদুঘরে প্রবেশ করলেই মনে হয় যেন সময়ের স্রোত উল্টো দিকে বইছে। এখানে সংরক্ষিত রয়েছে লালনের ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র তাঁর একতারা দোতারা হাতে লেখা বা হাতে আঁকা বিভিন্ন চিত্র লালনের জীবন ও দর্শন নিয়ে তৈরি চিত্রকর্ম বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা লালনের প্রতিকৃতি প্রতিটি জিনিসের সামনে দাঁড়ালে মনে হয় ইতিহাস খুব কাছ থেকে কথা বলছে। শিল্পকর্মে লালন রঙে রঙে দর্শন জাদুঘরের দেয়ালে টাঙানো চিত্রকর্মগুলো আলাদা করে উল্লেখ করার মতো। এটাই ছিল আমার আজকের তৃতীয় পর্বের গল্প আশা করি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাহলে কথা না বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



