পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-১৫
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভালো আছি। আজ আমি চলে এসেছি ১৫ নাম্বার পর্ব নিয়ে। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম থেকে ১৪ নম্বর পর্ব পর্যন্ত শেয়ার করেছি আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ১৫ নাম্বার পর্ব। আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে এবং লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আজকের গল্প।
শহরে আমরা যখন বাজার থেকে সবজি কিনি তখন খুব কমই ভাবি এই সবজির পেছনে কত পরিশ্রম লুকিয়ে আছে। কিন্তু এখানে এসে প্রতিটা শাকপাতা প্রতিটা সবজি যেন আলাদা করে কথা বলে। বলে যায় পরিশ্রমের কথা অপেক্ষার কথা আর প্রকৃতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকার গল্প। চরের মানুষদের সাথে কথা বলে একটা বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা গেল তারা প্রকৃতিকে শোষণ করতে চায় না। তারা জানে প্রকৃতিকে ভালো রাখলেই প্রকৃতি তাদের ভালো রাখবে। তাই তারা যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদ করার চেষ্টা করে। গোবর সার জৈব সার কম রাসায়নিক এই বিষয়গুলো এখন তাদের কাছে নতুন নয়।
এই চরে হাঁটতে হাঁটতে বারবার মনে হচ্ছিল এটাই হয়তো আসল টেকসই জীবন। যেখানে মানুষ প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না বরং প্রকৃতির অংশ হয়ে থাকতে চায়। বিকেলের দিকে সূর্যের আলো ধীরে ধীরে নরম হয়ে এলো। সবুজ খেতের উপর সেই আলো পড়ে এক অন্যরকম সৌন্দর্য তৈরি করল। দূরে নদীর জলে সেই আলো ঝিলমিল করছিল। কয়েকজন মানুষ নৌকায় করে ফিরছে কেউ আবার পাড়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। এটাই ছিল আমার আজকের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে কথাটা বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









