পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-২৮
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভাল আছি। আজ আমি চলে এসেছি আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব পদ্মা নদীর চরে এক মন করা খামারবাড়ি ২৮ নম্বর পর্ব । আশা করি আগের পর্ব গুলোর মতই এই পর্বটিও আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। তাহলে বেশি কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
এই চরে হাঁটতে হাঁটতে বারবার মনে হচ্ছিল এটাই হয়তো আসল টেকসই জীবন। যেখানে মানুষ প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না বরং প্রকৃতির অংশ হয়ে থাকতে চায়। বিকেলের দিকে সূর্যের আলো ধীরে ধীরে নরম হয়ে এলো। সবুজ খেতের উপর সেই আলো পড়ে এক অন্যরকম সৌন্দর্য তৈরি করল। দূরে নদীর জলে সেই আলো ঝিলমিল করছিল। কয়েকজন মানুষ নৌকায় করে ফিরছে কেউ আবার পাড়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে।এই দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল আমরা শহরে বসে কত ছোট ছোট বিষয়ে অশান্ত হই।
অথচ এখানে মানুষের জীবনে এত অনিশ্চয়তা থাকার পরও তারা কতটা শান্ত থাকতে পারে। চরের এই সবুজ জীবন আমাকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে উন্নয়ন মানেই বড় বড় দালান নয় উন্নয়ন মানে শুধু শহর নয়। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয় যখন গ্রামের মানুষ চরের মানুষও স্বচ্ছল হয় সম্মানের সাথে বাঁচতে পারে। এটাই ছিল আমার আজকের পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। কালকে আমি শেয়ার করব এই গল্পের শেষ পর্বটি। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |




খুব সুন্দর অভিজ্ঞতা! চরের শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন অনুপ্রেরণামূলক।