পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-৭
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভাল আছি। আজ আমি আপনাদের মাঝে চলে এসেছি আরো একটি নতুন পর্ব নিয়ে আশা করি আগের পর্বের মতোই এই পর্বটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। আজ আমি চলে এসছি সপ্তম পর্ব নিয়ে। ইতিমধ্যে আপনারা প্রথম থেকে ষষ্ঠ পর্ব পর্যন্ত পড়েছেন। প্রতিটা পর্বই আমি খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থাপনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি সাথে আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
পদ্মা নদীর তীরে চরের মধ্যে এমন একটি খামারবাড়ি যে এত সুন্দর এত গোছানো আর এত জীবন্ত হতে পারে নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। সেদিন হঠাৎ করেই সেখানে যাওয়া কোনো পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই যেন এক আলাদা অভিজ্ঞতা হয়ে রইল। এই লেখায় খুব সহজ ভাষায় সেই খামারবাড়িতে কাটানো সময় দেখা দৃশ্য অনুভূতি আর মানুষগুলোর গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।শীতের সময় আমার কাছে বরাবরই খুব প্রিয়। শীত এলেই মনটা কেমন যেন নদীর দিকে খোলা মাঠের দিকে গ্রামের দিকে ছুটে যেতে চায়। আগে মাঝে মাঝেই পদ্মা নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়া হতো। বিশেষ করে শীতের সময় চারিদিকে সরিষা ফুলে ভরে যেত পুরো এলাকা।
হলুদ রঙের মাঠ হালকা কুয়াশা আর সরিষা ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ সব মিলিয়ে এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করত। সেই পুরনো স্মৃতিগুলোই হয়তো আবার আমাকে সেদিন পদ্মার দিকে টেনে নিয়েছিল। সেদিন নদীর পাড় ধরে হেঁটে যাচ্ছিলাম। চারদিকে চর খোলা মাঠ দূরে দূরে কিছু বড় গাছ আর মাঝেমধ্যে খড়ের বড় বড় গাদা চোখে পড়ছিল। আকাশে তখন হালকা বিকেলের আলো সূর্যটা ধীরে ধীরে পশ্চিমে। এটাই ছিল আমার সপ্তম পর্বের গল্প আশা করি পুরো পরবর্তী গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পরবর্তীতে আমি আপনাদের মাঝে অষ্টম পর্ব নিয়ে হাজির হব। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









