পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-১৪
স্লামালাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন আমি আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সবার দোয়ায় অনেক ভালো আছ। আজ আমি চলে এসেছি নতুন আরেকটি পর্ব নিয়ে আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ১৪ নাম্বার পর্ব। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম থেকে ১৩ তম পর্ব পর্যন্ত শেয়ার করেছি। হাজির হয়েছি ১৪ নম্বর। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
আগে প্রাকৃতিকভাবে মাছ পাওয়াই ছিল মূল ভরসা। এখন পুকুর কেটে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করা হচ্ছে। রুই কাতলা সিলভার কার্প তেলাপিয়া নানান জাতের মাছ একসাথে চাষ করা হচ্ছে। এতে যেমন উৎপাদন বাড়ছে তেমনি আয়ের পথও প্রসারিত হচ্ছে। সবজি খেতের পাশে পাশে অনেক জায়গায় ফলের গাছও দেখা গেল। কলা গাছ পেঁপে গাছ মাঝে মাঝে আম বা কাঁঠালের ছোট গাছ। এগুলো হয়তো এখনো পুরো ফলন দেয় না কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য এক ধরনের বিনিয়োগ। চরবাসীরা এখন শুধু আজকের কথা ভাবছে না আগামী দিনের কথাও ভাবছে।
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখলাম কয়েকজন মানুষ মিলে জমি পরিষ্কার করছে। কেউ কোদাল চালাচ্ছে কেউ আগাছা তুলছে। তাদের কাজের মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া নেই আবার আলসেমিও নেই। ধীর কিন্তু নিয়মিত। এই ধৈর্যই হয়তো চরের মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। চরের মাটির রাস্তা ধরে হাঁটার সময় বারবার মনে হচ্ছিল এই রাস্তা শুধু চলার পথ নয় এই রাস্তার সাথে জড়িয়ে আছে কত গল্প কত জীবন। এই পথ দিয়েই ফসল মাঠে যায় এই পথ দিয়েই মানুষ বাজারে যায় আবার এই পথ দিয়েই শিশুরা হেঁটে স্কুলে যায়। এটাই ছিল আমার আজকের পর্বের গল্প আশা করি পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তাহলে তো কথা না বাড়িয়ে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনাই রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









