গ্রিনল্যান্ড এক মরীচিকা।।২২ জানুয়ারি ২০২৫
হ্যালো বন্ধুরা,
গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদের সম্ভাব্যতা খুব বড়—কারণ দ্বীপটি ভূতাত্ত্বিকভাবে প্রাচীন শিলাস্তর (ancient craton)–সমৃদ্ধ এবং সেখানে রেয়ার আর্থ (REE), গ্রাফাইট, মলিবডেনাম, জিঙ্ক, সোনা, নিকেল, কপার–সহ বহু “ক্রিটিক্যাল মিনারেল”-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়।সাম্প্রতিক বিশ্লেষণগুলোতে গ্রিনল্যান্ডকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হচ্ছে রেয়ার আর্থ ও ব্যাটারি-মিনারেল এর জন্য কারণ এগুলো ইভি (EV), উইন্ড টারবাইন, ডিফেন্স টেক, ইলেকট্রনিক্স—সবখানে লাগে।বরফ সরে যাওয়ার ফলে কিছু এলাকায় নতুন করে অনুসন্ধান (exploration) সহজ হতে পারে, ফলে ভবিষ্যতে খনিজ উত্তোলনের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনাও আছে।
তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তব উৎপাদনে (commercial mining) রূপ দিতে গেলে বড় চ্যালেঞ্জ আছে—দূরবর্তী লোকেশন,কঠিন আবহাওয়া, সীমিত রোড/পোর্ট/বিদ্যুৎ অবকাঠামো, উচ্চ অপারেটিং খরচ, এবং স্থানীয় পরিবেশ-ঝুঁকি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের সম্মতি (social license) ইত্যাদি।উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের Kvanefjeld অঞ্চলে বিশাল রেয়ার-আর্থ সম্ভাবনা থাকলেও,সেখানে ইউরেনিয়াম-সম্পর্কিত পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে নীতিগত বাধা ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে—ফলে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে স্থবির।
তবুও দীর্ঘমেয়াদে গ্রিনল্যান্ডের খনিজ খাতের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে ভূ-রাজনীতি ও সাপ্লাই-চেইন নিরাপত্তা: ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র চায় চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে “ক্রিটিক্যাল মিনারেল” উৎস বৈচিত্র্য করতে।সেই কারণে সাম্প্রতিক সময়ে EU-backed গ্রাফাইট প্রকল্প (Amitsoq)–এর মতো উদ্যোগে বড় লাইসেন্স অনুমোদন এবং ডেনমার্কের বিনিয়োগ সংস্থার গ্রিনল্যান্ডে ক্রিটিক্যাল মিনারেল খাতে আগ্রহ—এসব ইঙ্গিত দেয় যে প্রয়োজনীয় ফাইন্যান্সিং ও অবকাঠামো সহায়তা পেলে গ্রিনল্যান্ড ধীরে ধীরে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ-সরবরাহকারী অঞ্চলে পরিণত হতে পারে।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord




