ঘুমের প্রতি ভালোবাসা: এটা কি অলসতা নাকি মানসিক শান্তির দরজা?

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

ঘুম নিয়ে আমাদের নানান রকম মানুষের মধ্যে নানান রকম কটুক্তি, কিংবা সমালোচনা, আলোচনার যাই বলি না কেন, তার যেন কোন শেষ নেই। কারণ ঘুম নিয়ে একেকজনের মতামত একেক রকম। আর আমাদের মতামতের ভিন্নতা যেমন রয়েছে, ঠিক একইভাবে আসলে ভিন্নতাগুলোর অনেক যৌক্তিকতা রয়েছে বলা চলে। আসলে সে কারণেই মূলত আজকে ভাবলাম যে একটা লেখা আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আশা করছি যে আজকের লেখাটি আপনাদের ভালই লাগবে, কারণ নিত্য নতুন বিভিন্ন চিন্তাভাবনাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আমার বরাবর ভালো লাগে।

আসলে ঘুম যদি কখনো অতিরিক্ত হয়ে যায়, সেটা যেমন অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়, ঠিক একইভাবে ঘুম যদি দরকারের চেয়ে কম হয়ে যায়, তখন সেটাও আমাদের শরীরের জন্য মোটেও ভালো কিছু হয় না। পরিমিত হতেই হবে। অর্থাৎ অনেক বেশি হলেও শরীরের জন্য যেমন সমস্যা, ঠিক একইভাবে এটা যদি খুব কম হয়, তবেও শরীরের জন্য একইভাবে সমস্যা। অর্থাৎ এটা এমন একটা ব্যাপার, যেটা বেশি হওয়া যাবে না, আবার কমও হওয়া যাবে না। কারণ কেউ যদি অতিরিক্ত ঘুমায়, সে ক্ষেত্রে নানান রকমের সমস্যা হতে পারে।

আবার কেউ যদি দরকারের চেয়ে প্রতিদিন একইভাবে অনেক কম ঘুমাতে থাকে এবং তার ঘুমের সাইকেল যদি কোনভাবেই পূর্ণ না হয়, সেক্ষেত্রে কিন্তু অনেক সমস্যা হতে পারে। ঘুমকে নিয়ে অনিয়ম করি তবে আমাদের শরীরে সেটা প্রভাব ফেলবে দীর্ঘস্থায়ীভাবে। এখন আসি, ঘুমের প্রতি ভালোবাসাটা অলসতা নাকি মানুষের শান্তির দরজা? আমার কাছে মনে হয়, যদি ঘুম পরিমিত থাকে এবং এই ভালোবাসাটা যদি পরিমিত আকারে থাকে, তবে অবশ্যই এই ভালোবাসাটি হবে অর্থাৎ এটা সত্যিই শান্তির। কিন্তু ঘুম যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, তখন সেটা অলসতাই হয়ে যায়। তাই আসলে আমাদের যাদের অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা রয়েছে, আমাদের এই বিষয়ে একটু বিশেষ চিন্তাভাবনা করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ঘুম আমাদের শরীরকে নষ্ট করে দেয়।

ABB.gif