মানুষ যখন যন্ত্রের মতো বাঁচে
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
মানুষ যখন যন্ত্রের মতো বাঁচে তখন জীবনের আসল রঙ ম্লান হয়ে যায়। আমরা সবাই জানি, প্রযুক্তি আর আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার কারণে আমাদের দৈনন্দিন কাজ অনেক দ্রুতগতিতে চলে। কিন্তু এই দ্রুতগতি অনেক সময় আমাদের মন, অনুভূতি, এবং মানবিক স্পর্শকে হারিয়ে দেয়। যন্ত্রের মতো বাঁচা মানে নিজের অনুভূতিকে তেমন গুরুত্ব না দেওয়া, শুধু কাজ করতে থাকা, অটোমেটিক রুটিন ফলো করা আর কোনোমতে চলা।
যখন মানুষ শুধু কাজের চাপ, সময়ের নিয়ম এবং সামাজিক প্রত্যাশার খাঁচায় আটকে যায়।তখন সে আসলে নিজের অনুভূতি, স্বপ্ন, ভালোবাসা, আর সৃষ্টিশীলতাকে ভুলে যায়। এমন মানুষ হয়তো প্রতিদিন মেশিনের মতো একই কাজ করে, একই রুটিনে ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু তার মন খালি থেকে যায়। এই ধরনের জীবন জীবন্ত হলেও এক ধরনের অজীবনের মতো লাগে।আরেকটি বিষয় হলো, যন্ত্রের মতো বাঁচলে মানুষের মধ্যে সম্পর্কও দুর্বল হয়ে যায়। কারণ সত্যিকারের যোগাযোগ হয় না, শুধু বাহ্যিক সম্পর্কগুলো থাকে। কেউ কারো প্রতি দায়িত্ববোধ বা ভালোবাসা অনুভব করতে পারে না, কারণ সবাই তখন শুধু নিজের কাজের সঙ্গে ব্যস্ত।
মানুষের জীবনের মজা, সৌন্দর্য, এবং অর্থ আসে অনুভূতি, সৃজনশীলতা, আর সম্পর্ক থেকে। তাই মানুষ যেনো যন্ত্রের মতো না হয়ে, নিজের অন্তরকে খুঁজে পায়, মনের কথা শুনে বাঁচে এটাই আসল জীবনের অর্থ।কারণ আমাদের এই জীবন কিন্তু একটাই।এই জীবন একবার চলে গেলে আর কিন্তু ফেরত আসবে না।তাই জীবনটাকে জীবনের মতোন করে চালানো উচিত।কারণ এই জীবন শেষ হয়ে গেলেই তো শেষ।তাই না?

