ভেতরের একাকীত্বতা
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
এই একটা বিষয় যেটা নিয়ে আমি অনেক বেশি লেখালেখি করতে পছন্দ করি এবং অনেক লেখালেখি করি বলা চলে, কারণ এ বিষয়টা এমন একটা বিষয় যেটা আসলে আমার মনকে কেন কে অনেক বেশি প্রভাবিত করে। কারণ বর্তমানে একাকীত্ব আমাদেরকে যেভাবে গ্রাস করে নিচ্ছে এবং ধীরে ধীরে আমাদের প্রতিটা মানুষের জীবনে এই একাকীত্ব একটা কঠিন ছাপ ফেলে যাচ্ছে, সেই সম্পর্কে যদি আমরা একটুও আসলে দ্বিধাগ্রস্ত না হই কিংবা চিন্তিত না হই, তাহলে আমি মনে করি এটা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অনেকটা হুমকি স্বরূপ। কারণ, একাকীত্ব ভয়ঙ্কর একটা ব্যাধি। অর্থাৎ, অনেকটা বলা চলে যে, এটা একটা নীরব ঘাতক।
অনেক অসুস্থতা কিংবা অনেক অসুখ এমন দেখবেন, যেটা হয়তোবা সামান্য কিছু হলে কিছুই হয় না। অর্থাৎ, আমি একটু উদাহরণ দিয়ে যদি বলি জ্বর একটা খুব সাধারণ আমাদের কাছে ব্যাপার। অর্থাৎ, জ্বর হলে আমরা কখনোই তেমন একটা চিন্তিত হই না। অর্থাৎ, এটা আসলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যতই প্রভাব ফেলার চেষ্টা করুক না কেন, শুরুর দিকে আমরা কখনোই সেটা হতে দেই না। অর্থাৎ, ভালোভাবে খেয়াল করে দেখবেন আমাদের যাদের এই জ্বর হোক না কেন, খুব একটা কাজের ব্যাঘাত করতে দিই না এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজ আমরা চলমান রাখি। কিন্তু আমরা তখন এই জ্বরকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিই, যখন দেখি যে এটা একেবারে মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে এবং এটা অন্য কোনো রোগের দিকে মোড় নিচ্ছে।
অর্থাৎ, এই একাকীত্ব ব্যাপারটা অনেকটা তেমনটাই। অর্থাৎ, শুরুর দিকে যখন আসলে একটা একা অনুভূতি হয়, অর্থাৎ একটা অনুভূতি কাজ করে যা আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ থাকা সত্ত্বেও আমরা একা তখন আমরা সেই ব্যাপারটিকে অনেক বেশি ইগনোর করি এবং আমরা আসলে তেমন একটা পাত্তা দিতে চাই না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এভাবে একাকীত্ব একটা মানুষ ভুগতে থাকে, তার পরে আসলে হঠাৎ করেই তার মধ্যে বিভিন্ন রকমের রোগ দেখা যায়, যেমন সিজোফ্রেনিয়া সহ আরও অনেক অনেক রোগ রয়েছে।
আসলে এই রোগগুলো হয়তোবা শুনতে অনেক বেশি ফ্যান্সি মনে হয়, কিন্তু এই রোগগুলো যে কি পরিমাণ মরণঘাতী রোগ এবং কত বেশি ভয়ংকর, সেটা আমরা কেউ জানে না। তাই আসলে কারো যদি একাকীত্ব অনুভব হয়, তাহলে আমি মনে করি, তার কাছের কোনো মানুষ না থাকলে তার অন্তত ডাক্তারের সাথে একটু পরামর্শ করা উচিত। কারণ, ভেতরের একাকীত্ব একটা সময় মানুষকে অনেক বেশি বিপদের দিকে ঠেলে দেয়।

