কুটির শিল্পভিত্তিক খাবার
Image Created by OpenAI
বাংলার গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কুটির শিল্প অতোপ্রতো ভাবে জড়িত। বর্তমানে আধুনিক কারখানাভিত্তিক যেসব উৎপাদন গড়ে উঠছে, তার ভিড়ে আজও গ্রামবাংলায় টিকে আছে কিছু ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপ্রস্তুত প্রণালী জিনিসপত্র, যা নির্ভর করে স্থানীয় কাঁচামাল ও পারিবারিক দক্ষতার উপর। গুড়, চাল ও চালের গুঁড়া, প্রধানত এই তিনটি উপাদানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে কুটির শিল্প। কুটির শিল্পভিত্তিক খাবার শুধু স্বাদের দিক থেকেই নয়, বরং সংস্কৃতি ও অর্থনীতির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুড় ছিল গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক মিষ্টতার এক ঐতিহ্য।
গুড় বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় প্রাকৃতিক মিষ্টান্ন। আখ বা খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি এই গুড় গ্রামীণ কুটির শিল্পের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। যা এখনও এই ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এখনো দেখা যায় গ্রামের ছোট ছোট পরিবারভিত্তিক কারখানায় আজও গুড় তৈরি করা হয়। আর এতে কোনো কৃত্রিম রাসায়নিক না থাকায় এটি স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিবেশবান্ধব। আর বাজারে মূলত যেসব দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি হয়ে থাকে, এতে থাকে রাসায়নিক এবং অস্বাস্থ্যকর। আর চাল বাঙালির প্রধান খাদ্য হলেও এটি দিয়ে মুড়ি, চিড়ে, খই তৈরী করা হয়। এইসব খাবার গ্রামীণ কুটির শিল্পের মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে। আর চালের গুঁড়ো এইসব পিঠে-পুলি এইসব তৈরীর কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
