ঢাকের তালে পুজোর ডাক
Image Created by OpenAI
ধুনুচি নাচ ও কুমোরটুলির প্রস্তুতিতে দুর্গাপুজোর আগমন যেনো একদম ধুমধাম করে শুরু হয়ে যায়। বাংলার আকাশে যখন শরতের হালকা রোদ্দুর, ভোরের বাতাসে শিউলি ফুলের গন্ধ, ঠিক তখনই বোঝা যায় যে, দুর্গাপুজো আর বেশি দূরে নেই। এই উৎসব শুধু কয়েকদিনের আনন্দ নয়, বরং মাসখানেক আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় তার প্রস্তুতি। ঢাকের শব্দ, ধুনুচি নাচ আর কুমোরটুলির আয়োজন, এই সবকিছু মিলেই যেন দুর্গাপুজোর প্রাণ। আর পুজো মানেই হলো ঢাক, বিশেষ করে দুর্গা পুজোর সময়ে। ঢাকের শব্দ ছাড়া বাঙালির পুজো কল্পনাই করা যায় না। ভোরবেলা মহালয়ার দিন প্রথম ঢাকের আওয়াজ যেন শহর-গ্রাম সবকিছুকে একসাথে জাগিয়ে তোলে।
বিশেষ করে গ্রামের দিকে। ঢাক আসলে শুধু একটা বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি বাঙালির একটা আবেগ। ঢাকিরা বছরের পর বছর ধরে এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। তাছাড়া বর্তমানে এখন ঢাক বাজানো এইসব নিজেরাও করা যায়। কিন্তু অরিজিনাল যারা ঢাক বাজানোর কাজ করে থাকে, মূলত তাঁদের হাতের তালে, ঘামের ফোঁটায়, পরিশ্রমে ঢাক বেঁচে থাকে। প্রতিটি ঢাকের বাজনার সাথে মিশে থাকে আনন্দ, ক্লান্তি আর উৎসবের উন্মাদনা। দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি সবচেয়ে আগে শুরু হয় কুমোরটুলিতে। উত্তর কলকাতার এই পাড়ায় গেলে বোঝা যায়, পুজো শুরু হতে দেরি নেই। গলির পর গলি জুড়ে মাটির গন্ধ, খড়, বাঁশ আর শিল্পীর নিখুঁত হাতের ছোঁয়া। সবকিছু যেনো একটা আলাদা বিষয়, মনটা জুড়িয়ে যায় দেখলে।
