মাছ পুড়িয়ে খাওয়ার কিছু মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি আজ একটু ভিন্ন ধরনের পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আমরা মাছ অনেকেই পছন্দ করি বিশেষ করে বাঙালিরা সব চেয়ে বেশি মাছ পছন্দ করেন। তবে মাছ কতো ভাবে যে খাওয়া যায় এইটা হয়তোবা আমরা জানি না।
আমরা মাছ ভাজি খেয়ে থাকি জল খেয়ে থাকি বিভিন্ন তরকারিতে দিয়েও খেয়ে থাকি। তবে কখনো কি মাছ পুড়িয়ে খেয়েছেন আমি কিন্তু খাইনি। যাই হোক আজ আমি শেয়ার করব মাছ পুড়িয়ে খাওয়ার কিছু মুহূর্ত। এটা খেতে যে কেমন লাগে তাও আমার জানা নেই এর স্বাদ আমি জানি না।
তবে মনে হলো দেখে এটা খেতে ভালোই লাগে তার পাশা পাশি এই মাছের সাথে আরো অনেক ধরনের জিনিস ব্যবহার হয়। অবশ্যই এক জনের রুমে গিয়ে সেই গুলো ছবি তোলা সম্ভব না। তাই সেই মুহূর্তটা শেয়ার করতে পারলাম না তবে মাছ পুড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তটা নিজের মোবাইলে ধারণ করেছিলাম।
গতকালকে কাজ শেষ করে এসে আমি রান্না করেছিলাম তখন একটি ইন্দোনেশিয়া ভাই এসে আগুন জ্বালিয়ে দিলো। অবশ্যই ইন্দোনেশিয়ার মানুষেরা এই ভাবে আরো আরো কিছু খাওয়া-দাওয়া করে। যেমন মাংস তারা পুড়িয়ে খেতে অনেক পছন্দ করে। এবং মাসও পুড়িয়ে খায় এটা আমি এর আগেও দেখেছি।
সত্য কথা বলতে এটার ছবি ধারণ করতে নিজের কাছে খারাপ লাগে। তারা এক দেশের মানুষ এবং আমরা অন্য দেশের মানুষ এই ভাবে আমরা খাই না। এবং তাদের খাওয়া দাওয়া নিয়ে এই ভাবে ছবি তোলা বিষয়টি কেমন ভাবে নেবে তাও আমার জানা নেই। তাই তাদের সামনে গিয়ে ছবি ধারণ করা সত্যিই একটি লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
যাই হোক এটা যেহেতু আমার রুমের সামনে ছিলো এবং সে আমার রুমের পাশে থাকে। তাই কাল যখন দেখলাম তার আগুন জ্বালিয়ে রাখা তখন বুঝতেই পেরেছিলাম সে কিছু পুড়িয়ে নিয়ে যাবে। কিছু সময় পরে দেখতে পেলাম সে একটি বড় মাছ পরিষ্কার করছে। তখন শিওর হইলাম সে মাছ পুড়িয়ে নিয়ে যাবে।
সে আগুন জালানোর পরে একটি রড তার মাঝে দিয়ে সুন্দর করে একটি চুলার মতো তৈরি করে নিয়েছে। অবশ্যই আমি এমন দৃশ্য শুধু সিনেমাতে দেখেছি যারা জঙ্গলে থাকে তারা এই ভাবে রেডিমেড ব্যবস্থা করে নেই। এবং দেখতে পেলাম সেই রডের উপরে কিছু কাঁচা পাতা দিয়ে রাখছে। এবং এই পাতার ওপরে মাছ গুলো সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রেখেছে।
সে কিছু সময় পরে এসে মাছ গুলো একটু উল্টিয়ে দিয়েছিল যেনো মাছ গুলো ভালো ভাবে পুড়ে যায়। এবং অন্য মানুষেরা ঝাল বাটা এবং বিভিন্ন ধরনের মসলা তৈরি করছিল। মাছ পুড়িয়ে খেতে কেমন লাগে জানি না। তবে যে ধরনের মসলা তারা তৈরি করছিল এটা খেতে অনেক ভালো লাগে আমি জানি।
যাই হোক তার এই দৃশ্যটা সত্যি আমার কাছে ভালো লেগেছিল এবং এটা আসলে কোন খারাপ কিছু নয়। হাফ সেদ্ধ এবং এই ভাবে পুড়িয়ে খেলে সত্যি শরীর অনেক ভালো থাকে। আসলে আমরা বাংলাদেশিরা যে কোনো মাছ অনেক কড়া ভাবে ভাজি করে খাই। এবং তার মধ্য তেল চলে যায় কিন্তু। এবং তেল আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে এটা আমরাই বুঝি।
তবে ইন্দোনেশিয়ার এই মানুষ দের দেহের মধ্য খুব কম রোগ দেখা যায়। তার প্রথম কারণ তারা মসলা অল্প এবং তেল অল্প খাওয়া-দাওয়া করে। আসলে আমরা মুখের রুচি নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন মসলা খাওয়া দাওয়া করি। তবে তারা এই ভাবে খাওয়া-দাওয়া করে বলেই হয়তো তাদের শরীর এতো স্ট্রং থাকে।
এবং এই ছবি ধারণ করে যখন আমি আবারো আমার রুমে চলে যায় গিয়ে দেখতে পেলাম আমার ভাই মাছ ভাজি করছে। তার একটি ছবি ধারণ করেছি অবশ্যই ছবিটি দেখে বুঝতে পারছেন আমরা কি ভাবে খাই এবং তারা কি ভাবে খায়। আসলে তাদের মতো যদি আমরাও খেতে পারতাম তাহলে হয়তো বা আমাদের শরীরে এতো রোগ থাকতো না।
এবং এই মাছ পুড়িয়ে খাওয়া সত্যি ভালো একটি কাজ বলে আমার মনে হয়। অবশ্যই আমরা চাইলেও এই ভাবে খাওয়া দাওয়া করতে পারি। তবে অভ্যাস নাই বলে একটু সমস্যা হবে। যদি কখনো সম্ভব হয় তাহলে আমিও এক দিন চেষ্টা করবো এই ভাবে মাছ খাওয়ার জন্য।













আপনার পোস্ট করে সর্বদাই ইন্দোনেশিয়ার সমস্ত জিনিস দেখতে পাই। আজকেও আপনি নতুন এক ধরনের পোস্ট শেয়ার করেছেন। আমরা ছোটবেলায় বইতে পড়েছি, আগেকার দিনের মানুষ সবকিছু পুড়িয়ে খেত এমনকি মাছ তারা ধরে পুরিয়ে খেত। এরকম একটা জিনিস আপনি শেয়ার করেছেন। আমরাও মাঝে মাঝে যখন শীতকালে আগুন পোহায় তখন সে আগুনে মাঝে মাঝে কিছু না কিছু পুড়িয়ে খাই। কিছুদিন আগে দীঘায় বেড়াতে গিয়েছিলাম সেখানেও বিভিন্ন ধরনের মাছ কোন মাছ পুড়িয়ে আবার কোন কোন মাছ ছাকা তেলে ভেজে বিক্রি হচ্ছিল। তবে মাছ পোড়ানো খাওয়া হয়নি আমরা মাছ ভাজা খেয়েছিলাম। তবে ইন্দোনেশিয়ার মাছ গুলো দেখে খুব ফ্রেশ মনে হচ্ছে। এগুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগছে। তবে এটাও ঠিক কথা যে কোন তরকারিতে কম তেল মশলা খেলে শরীর কম অসুস্থ হয়। এটা অনেকেই বোঝেনা। অনেকে মনে করে বেশি তেল মশলা দিয়ে রান্না করলে সেগুলো খাওয়া খুব ভালো। আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো।
একদমই তাই বইতে এবং সিনেমাতে এই ধরনের দৃশ্য আমরা দেখতে পাই বা জানতে পারি,, তবে এখানে এসে আমিও আপনার মতো উপভোগ করছি,, এটা ঠিক কথা বলেছেন শীতের সময় আগুন জ্বালানো হয়,, তখন অনেক ধরনের ফল বা অনেক কিছু আমরা পুড়িয়ে খেয়েছি।
তবে সত্যি এটা আমার কাছে একটি ভালো লাগার বিষয় ছিল,, এবং তারা এই ধরনের খাদ্য খাবার খায় তাদের শরীর অনেক বেশি ভালো থাকে,, হয়তোবা আমরা খেলেও আমাদের শরীর ভালো থাকতো,, যাইহোক আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত ধন্যবাদ আপনাকে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
@memamun আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আমাকে সহযোগিতা করার জন্য।
শুধু সাদা মাছ পোড়াচ্ছেন তাহলে এটার মধ্যে মশলা কোথায় গেল আমরা তো যতটুকু দেখলাম মসলা দিয়ে তারপর কলা পাতা পেছিয়ে তারপর পড়ানো হয় তারপর দেখা মাছ ভাজা করেছেন যেটা দেখতে অনেক বেশি সুন্দর দেখা যাচ্ছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের মাছ ভাজা এবং মাছপোড়া খাওয়ার আনন্দঘন মুহূর্তটা আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন।
আসলেই মাছটি পুড়িয়ে খাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার একটি ভাই তখন আমি কিছু ছবি ধারণ করেছিলাম। এবং এই মাছের সাথে তারা কিছু মসলা জাতীয় তৈরি করে খাওয়া দাওয়া করে। তবে তার রুমে গিয়ে সেই জিনিসের ছবি তোলা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই ছবি তুলতে পারি নাই। এবং এই মাছ ভাজি করছিল আমার ভাইয়েরা তখন ভাইদের ওখান থেকে কয়েকটি ছবি ধারণ করেছিলাম। ভালো এবং সুস্থ থাকবেন ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে।
এজন্যই তো আমার একটা সন্দেহ ছিল যে আসলে বাঙালি হয়ে এভাবে কাঁচা মাছ সিদ্ধ করে খাওয়াটা তো আসলে কখনোই সম্ভব না তবে আপনাদের ভাজা মাছ অনেক বেশি লোভনীয় ছিল যেটা দেখে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে এটা আপনার ভাইয়েরা ভেবে নিয়েছিল যাইহোক অসংখ্য ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।
একদম ভিন্ন রকম একটি খাবার যদিও অন্যান্য কিছু প্রজাতির মানুষ আছে তারা হয়তো বা পুড়িয়ে মাছ খায়।। আর আপনি আজকে দেখিয়েছেন পুড়িয়ে কিভাবে মাছ খেতে হয়।।
আসলে ইন্দোনেশিয়ার মানুষেরা বেশির ভাগ পুড়িয়ে খেতে পছন্দ করে তারা ভাজি জিনিস বা রান্না জিনিস খুবই কম খেয়ে থাকে কারণ এখানে এসে বেশির ভাগ ইন্দোনেশিয়ার মানুষের সাথে দেখা হয় বা তারা যা করে সেটা দেখি।