যান্ত্রিক জীবনে ছোট ছোট খুশির গুরুত্ব

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

যান্ত্রিক এই জীবনে আমরা প্রতিদিনই ছুটছি কাজ, দায়িত্ব, টার্গেট, সময়ের পেছনে। ঘুম থেকে উঠে আবার ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত একটা চক্রে আটকে গেছি যেন। মাঝে মাঝে মনে হয়, নিজের জন্যই যেন সময় নেই। কিন্তু এর মাঝেও এমন কিছু মুহূর্ত আসে যেগুলা খুব ছোট, কিন্তু সেই ছোট ছোট খুশিগুলাই আসলে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।

আমি নিজেও অনেক সময় টের পাই, হঠাৎ বিকেলে এক কাপ চা নিয়ে বারান্দায় দাঁড়ানো, হঠাৎ করে পুরনো কোনো গান কানে আসা, কিংবা খুব ব্যস্ত একটা দিনের মাঝে কারো একটা, তুমি কেমন আছো? বলা এই জিনিসগুলো যেন মনটাকে একেবারে হালকা করে দেয়। হয়তো সমস্যার সমাধান হয় না, কিন্তু নিজের ভিতরে একটা আরাম আসে। আর এই আরামটাই তো দরকার।

আমরা সবসময় বড় সুখ খুঁজি, ভাবি জীবনে কিছু একটা বিশাল হলে তবেই খুশি হব। কিন্তু যন্ত্রের মতো চলতে চলতে বুঝতে পারি, আসলে ছোট ছোট জিনিসেই বড় শান্তি লুকিয়ে থাকে। যেমন সকালে ঘুম ভাঙার পর জানালা দিয়ে রোদ ঢুকছে দেখে মনে হয়, বাহ, কী সুন্দর একটা দিন।কিংবা রাতে সব কাজের পরে একটু নিজের মতো করে চুপচাপ বসে থাকা, এগুলোই তো আমাদের দিনটাকে অর্থপূর্ণ করে তোলে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ছোট ছোট খুশিগুলো অনেক সময় নিজেই তৈরি করে নিতে হয়। আমি এখন চেষ্টা করি, একঘেয়েমি কাটানোর জন্য দিনে একটু সময় নিজের মতো করে কাটাই। বই পড়ি, গান শুনি, কারো সঙ্গে কথা বলি, বা শুধু চুপচাপ আকাশ দেখি। এতে করে মনে হয় আমি এখনো বেঁচে আছি, এখনো আমার নিজের জন্য কিছু সময় আছে।

যান্ত্রিক জীবনের চাপ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব না, কিন্তু এই ছোট ছোট খুশিগুলোই সেই বিশাল ভারটা কিছুটা হালকা করে। তাই আমি এখন মনে করি, যতো ব্যস্ততাই থাকুক, যতো দুঃখই থাকুক, এই ছোট ছোট আনন্দগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ দিন শেষে এই মুহূর্তগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জীবন এখনো সুন্দর।

ABB.gif