ব্যস্ত শহর এবং নিরিবিলি গ্রামের দৃশ্যপট
শহরের ব্যস্ততার কোনো শেষ নেই, এ যেনো এক অবিরাম ধারায় চলতে থাকে। আমাদের কলকাতা শহর অনেক ব্যস্ত, এখানে সন্ধ্যা থেকে সারাদিন নানা ব্যস্ততা চলতে থাকে। একদিন কলকাতায় একটি জায়গায় আমার গাড়ির কিছু কাজ করাতে গিয়েছিলাম এবং ওখানে দাঁড়িয়ে একটি ব্যস্ত সময়ের চিত্র ক্যাপচার করেছিলাম। বিশেষ করে যেই মোড়টাতে ছবি তুলেছিলাম, এখানে প্রতিদিনই খুবই ট্রাফিক এর ঝঞ্ঝাট থাকে, এক স্থানে দাঁড়ালেও যেন চারিপাশে গাড়ির শব্দ, মানুষের যাতায়াত, সবকিছু মিলিয়ে যেন একটা অন্যরকম পরিবেশ। তবে কলকাতা শহরের এই ব্যস্ততা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার, যাকে বলে একটা সাধারণ দিনের ব্যস্ত দৃশ্য। আমরা যারা প্রতিদিন শহরের এই ব্যস্ততার মধ্যে থাকি, সেখানে আমাদের কাছে দৃশ্যগুলো খুবই সাধারণ মনে হলেও যারা মাঝে মাঝে বা অনেকদিন পরপর শহরে আসেন, তারাই বুঝতে পারেন যে, এই ভিড়ের মধ্যে মানুষের দৌড় কত দ্রুত চলে।
আর এই ছবির দৃশ্যটা একটি গ্রামের। নেই কোনো কোলাহল, নেই কোনো এইরকম শহরের মতো ঝঞ্ঝাট। একদম যেন বিপরীত একটা অনুভূতি। শহরের ব্যস্ততা আর গ্রামের নীরবতার এক শান্ত পরিবেশের মধ্যে বিচার করলে অনেক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। আর সবথেকে যে দৃশ্যটা ভালো লাগে-গ্রামের মাঠে চাষ থেকে শুরু করে তাদের ক্ষেতে কাজ করার দৃশ্যটা। বিকেলের পরিবেশে এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি মনে দোলা দিয়ে যায়। পরিবেশটা দেখলে যেন একদম নিস্তব্ধ আর শান্ত পরিবেশ মনে হবে। একটা সরলতার মধ্যে দিয়ে গ্রামের আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। যেখানে নেই কোনো হর্ন এর শব্দ, নেই কোনো ট্রাফিকের ঝামেলা এবং নেই কোনো দৌড়াদৌড়ির ব্যাপার। এইসব দৃশ্যের মাঝে গেলে তখন মনে হয়, যদি শহরের এই ভিড়, ব্যস্ততা থেকে দূরে এই নিরিবিলি, শান্ত জায়গায় এসে সময় কাটানো যেত, তাহলে কত ভালো হতো। মনে একটা আলাদা শান্তি এনে দেয় এইসব দৃশ্যের মাঝে।

