অভিমান করা মানুষগুলোই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
অভিমান করা মানুষগুলোই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। এই কথাটা আমি নিজের জীবন থেকেই বুঝেছি। কারণ যারা অভিমান করে, তারা আসলে চুপচাপ ভালোবেসে যায়। তাদের ভালোবাসার ভাষা হয় না জোরে বলা, হয় না দেখানোর মতো রঙিন কিছু, তারা কেবল নিরবে ভালোবাসে। আর যখন ভালোবাসা একটু আঘাত পায়, তখনই সেই চুপচাপ মানুষটা একটু অভিমান করে।
অনেকেই বলে, অভিমান মানে ন্যাকামো, অভিমান মানেই দূরত্ব কিন্তু আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি, অভিমান আসলে একধরনের অধিকারবোধ, একধরনের নির্ভরতা। তুমি যদি কাউকে সত্যি করে না ভালোবাসো, তাহলে তার কাছে কিছু চাওয়ার ইচ্ছে জন্মায় না, তার কাছ থেকে ভালোবাসার অভাবও ততটা কষ্ট দেয় না। কিন্তু যাকে মন থেকে ভালোবাসো, তার একটুখানি অবহেলাও মনের ভেতর কাঁটার মতো বিঁধে যায়। আর সেখান থেকেই জন্ম নেয় সেই ছোট ছোট অভিমান।
যে মানুষটা ভালোবাসে, সে চায় প্রিয় মানুষটা ওর মনের কথাটা বুঝুক, বুঝে নিক না বলা অনুভূতিটা। আর যখন সেটা হয় না, তখন সে চুপ করে যায়, একটু দূরে সরে যায়। তার মন চায় না ঝগড়া করতে, চায় না মুখের ওপর কিছু বলতে, তাই সে অভিমান করে চুপ করে থাকে। অনেকে ভাবে এটা দূরত্ব, অথচ এটা একধরনের গভীর আকুলতা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, যাদের আমরা অভিমানী বলি, তারা কিন্তু অনেক সহজে কাউকে ছেড়ে যায় না। তারা কষ্ট পায়, চোখের জল চেপে রাখে, তবুও মন ভেঙে যায় না। তারা হাজার বার ভেঙেও বারবার ফিরে আসতে চায়, বারবার প্রমাণ করতে চায়।আমি এখনো তোমার, আজও ভালোবাসি ঠিক আগের মতোই।তাই আমি বলি, যারা অভিমান করে, তারা কখনোই অবহেলা করার মতো মানুষ না। তারা হচ্ছে সেই বিশেষ মানুষগুলো, যারা ভালোবাসতে জানে নিঃস্বার্থভাবে, নিঃশব্দে। আর এই ধরনের মানুষ পেলে তাদেরকে জড়িয়ে ধরে রাখতে হয়, কারণ অভিমানী মানুষরা আসলে ভালোবাসার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ছায়া।

