পুরনো দিনের ডায়েরি ( পর্ব ১১ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে "পুরনো দিনের ডায়েরি" গল্পের একাদশ পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর রাহুলের কাছে সবকিছু যেনো কেমন এলোমেলো লাগছিল। রাহুল যখন ডায়েরি বন্ধ করে বসে ছিল, তখন তার বাবার ঘরে জানালা দিয়ে সকালের আলো ঢুকছিলো, কিন্তু সবকিছু কেমন যেনো ফ্যাকাশে লাগছিল। আসলে ঘরটা অনেকদিন বন্ধ এবং অন্ধকার থাকার ফলে রাহুলের কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক লাগছিল। কিন্তু বিষয়টা হলো, তার বাবার ডায়েরিতে এই বিষয়গুলো পড়ে মাথায় শুধু স্টেশন, সিদ্ধান্ত এবং মালতি এইসব ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু এই মালতি নামটা যেনো একটু অদ্ভূত লাগতে লাগে তার কাছে, কোনোভাবেই স্বাভাবিক লাগতে চায় না।
রাহুলের কাছে এখন মনে হচ্ছে বাবা বেঁচে থাকতে এই নামটা কোনোদিন শুনিনি। কিন্তু এই নামটাই বাবার জীবনের একটা প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এরই মাঝে হঠাৎ মনে পড়লো আলমারির নিচে একটা ছোটো ব্যাগ ছিল, কিন্তু কেউ কোনোদিন খুলিনি। রাহুল উঠে দাঁড়ালো এবং সেই পুরোনো আলমারির কাছে চলে গেলো। ব্যাগটা টেনে বের করতেই একটা শুকনো কাগজ পড়ে গেলো। কাগজটা ছিল একটা ট্রেনের টিকিটের। তারিখটা তেমন স্পষ্ট বোঝা না গেলেও স্টেশন এর নাম স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। স্টেশন এর নামটা ছিল "চন্দনপুর"। নামটা তেমন পরিচিত না হলেও বুঝতে অপেক্ষা রইলো না, এটা বাবার ডায়েরিতে লেখা সেই স্টেশন।....

High-Yield Curation by @steem-seven
Your content has been supported!
Maximize your passive income!
Delegate your SP to us and earn up to 0.45 STEEM / 1000 SP.
Click here to see our Tiered Reward System
We are the hope!