সন্ধ্যার মুহূর্তে শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা

20251226_165052.jpg

শান্তিনিকেতনের নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে শুধুই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা। কারণ এই শান্তিনিকেতন জায়গাটা একপ্রকার তারই। তখনকার সময় হিসেবে ধরলে- তখন খোলা আকাশের নিচে পাঠশালা আর বাংলার লোকসংস্কৃতির এক সৌন্দর্যপূর্ণ রূপ। আর এই সমস্ত সৌন্দর্য বা অনুভূতির চূড়ান্ত রূপ যেন ধরা দেয় পৌষ মেলায়। আজ সন্ধ্যাবেলায় শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলায় গিয়ে সেই চিরচেনা অথচ প্রতিবার নতুন করে ভালো লাগার অভিজ্ঞতা আবারও ফিরে পেলাম। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে যেনো মেলার রং আরো বেশি যেনো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

কারণ এই সময়ে চারদিকে মানুষের ভিড়, আলো-আঁধারির মিশেলে এক আলাদা আবহ। কেউ পরিবারের সঙ্গে, কেউ বন্ধুদের নিয়ে, আবার কেউ একা, সবাই এসেছে এই মেলার টানে। আর বাইক আরোহী তো আছেই, বর্তমানে যেকোনো মেলা বা উৎসবে বাইক বেশি দেখা যায় অর্থাৎ মানুষ হাঁটে কম এখন। মেলায় গেলে লোকগান এবং বাউল সঙ্গীতের সুর যেনো কানে ভেসে আসে। এ যেনো খালি গলায় এক মধুর সুর কানে বাজে। আর সবথেকে যে বিষয়টা মন কাড়ে, সেটা হলো খাবারের রসালো গন্ধ, বিশেষ করে ভাপা পিঠা। বিভিন্ন ধরণের পিঠা থাকা সত্বেও আরো আছে মুখরোচক খাবার অর্থাৎ ভাজাভুজি।