প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-৮)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। সময়ের সাথে সাথে কেমন জানি নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছি অর্থাৎ গতিশীল সময়ের সাথে নিজেকে আর গতিশীল রাখতে পারছি না। মনে হচ্ছে কোথায় যেন আটকে যাচ্ছি, ধীরে ধীরে কোথায় যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলছি আর প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাচ্ছি। একটা নির্মম অনুভূতি কিংবা ভয় নিজেকে ঘিরে রাখছে সর্বদা, কখনো কখনো নিস্তেজতায় নিজেকে লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছি আবার কখনো কখনো পরিস্থিতির কাছে ধরা খেয়ে যাচ্ছি।
যাইহোক, পরিবেশ ও পরিস্থিতি হয়তো সর্বদা আমাদের পক্ষে থাকে না, কিন্তু এর জন্য আমরা নিজেরাই আসল দায়ী, আমাদের যোগ্যতা, দক্ষতা কিংবা মানসিকতাই প্রকৃত দোষী এখানে। প্রকৃতি তার নিজের অবস্থানেই টিকে থাকে, নিজের মতো করেই তার সজীবতা প্রকাশ করে থাকে। আজকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানার অষ্টম পর্ব শেয়ার করার চেষ্টা করবো। এমন একটা সুন্দর পরিবেশে, সুন্দর কিছু মুহুর্ত উপভোগ করতে পারাটা ছিলো আমার জন্য দারুণ একটা সুযোগ, আমি চেষ্টা করেছি সেটাকে যথার্থভাবে উপভোগ করার।
হরিণের কয়েকটি খাঁচা ছিলো, কারণ কয়েক প্রজাতির হরিণের উপস্থিতি ছিলো সেখানে। এটা অবশ্য খুব সহজ আমাদের জন্য কারণ আমাদের দেশে হরিণের ব্যাপক উপস্থিতি আছে। একটা সময়তো শুনেছিলাম নিঝুম দ্বীপের হরিণ বিদেশে রপ্তানি করা হবে। পরে অবশ্য আমলাতন্ত্র জটিলতায় সব আটকে গেছে। যাইহোক, আমরা এরপর লেকের পাড়ে গিয়ে কিছুটা সময়ের জন্য বসলাম, বেশ কিছু ফটোগ্রাফিও সেরে নিলাম।
অনেকেই সেখানে বসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফটোগ্রাফিতে ব্যস্ত ছিলো, সুন্দর মুহুর্তের কিছু স্মৃতি ধরে রাখার প্রচেষ্টাও বলতে পারেন। লেকটা সুন্দর ছিলো, চারপাশের গাছগুলোর কারণে দারুণ একটা নির্মল আবহ তৈরী হয়েছিলো। আমরাও কিছু সেলফি সেরে নিলাম, তারপর সামনের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। যেহেতু ছেলে মেয়েদের নিয়ে গিয়েছিলাম, তাই এরপর আমরা সোজা শিশুদের জোনে প্রবেশ করলাম।
সেখানে বেশ মানুষের উপস্থিতি ছিলো, অনেক ছেলে মেয়ে ছিলো। তবে সমস্যা হলো উপস্থিতি বেশী থাকার কারণে সবাই যথেষ্ট সময় পাচ্ছিলো না, নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বৈই সবাইকে রাইডগুলো হতে নামিয়ে দিচ্ছিলো। এটা একটা সমস্যা বলতে পারেন, উপস্থিতির সংখ্যা বেশী হয়ে গেলে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। আমি অবশ্য ভীড়ের মাঝে না গিয়ে একটু দূরত্বে বসে বসে দৃশ্যগুলো উপভোগ করার চেষ্টা করেছি।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR









