বন্ধুর ভুল সিদ্ধান্তের সঙ্গী হচ্ছেন?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমরা যারা আসলে বন্ধুদের অনেক ভালোবাসি কিংবা বন্ধুদের উপর ভরসা করি, এটা অনেক সময় খেয়াল করে দেখবেন যে, আমরা যখন কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেই, সেখানে আমাদের বন্ধুরা আমাদেরকে মানা করার পরিবর্তে তারা আমাদেরকে আসলে সেখানে উৎসাহ দেয়। এবং শুধু তাই নয়, তারাও সেই কাজে যোগদান করে। আসলে এখানে যে সেই বন্ধুটি আমাদের ভালোবাসে নাকি আমাদের ক্ষতিটাই চায়, ব্যাপারটি কিন্তু অনেক সময় তেমনটা হয় না। অর্থাৎ, সে আমার খারাপ কাজের সঙ্গী হলেও সে কিন্তু আমার খারাপ চায় না। তাহলে এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, তাহলে আমি কী বলতে চাইছি। আসলে আমি যেটা বলতে চাইছি, সেটা হলো,
বন্ধুদের ভালো চাওয়া, খারাপ চাওয়া এসব পরের বিষয়। আগে একটা ব্যাপার আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে, সেটা হলো, বন্ধুর ভুল সিদ্ধান্তগুলোতে কোনোভাবেই সঙ্গী হওয়া যাবে না। কারণ একটা সময় আমরা যখন ভুলের সঙ্গী হই, তখন কিন্তু সেটা শুধুমাত্র একটা ভুলের মধ্যে আটকে থাকে না, সেটা পরবর্তীতে অনেক অনেক ভুলে রূপান্তরিত হয়। আর সেটা থেকে মুক্তি পেতে হলে, প্রথমেই যেটা করতে হবে, সেটা হলো, বন্ধুরা যদি কোনো ভুল পথে যায়, কোনো ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে তাকে যেভাবেই হোক আটকাতে হবে। তা না হলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। কারণ অনেক সময় দেখা যায় যে, আসলে আমরা যখন কোনো কিছুকে প্রশ্রয় দিয়ে ফেলি, তখন সেটা অনেকটাই অনেক ভুল পথে চলে যায় এবং সেটা থেকে ফিরে আসাটা কঠিন হয়ে পড়ে।
খুব স্বাভাবিক, আমরা যখন আমাদের বন্ধুদের কোনো কাজ করা থেকে বাধা দেই, তখন তারা বিরক্ত হয়, তখন তারা অনেক গরম হয়ে যায়। কিন্তু এটা যদি আমরা একটু ভেবে দেখি, তাহলেই বুঝতে পারব যে, তাদের সাময়িক সময়ে ওই রিঅ্যাকশন দেওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে পারব না। বন্ধুরা যদি কোনো খারাপ পথে যায়, তাহলে তাদেরকে আটকানোর দায়িত্ব হলো আমাদের, কারণ আমরাই তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী।

