শ্রী স্বামী নারায়ণ মন্দির অন্তিম পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা,
কিছুটা সময় নিভৃতে মন্দির প্রাঙ্গণে বসে থাকার পর মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি পেলাম। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্লান্তি গুলো নেমে গেলো। আসলে মন্দিরের চারপাশের নীরবতা, হালকা বাতাস যেকোনো অশান্ত মনকে শান্ত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই নিভৃত পরিবেশে পরিবর্তন আসতে শুরু করল। বেলা বাড়তেই ভক্তদের ভিড় ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়া শুরু করলো। নানা ভাষা, নানা পোশাক, নানা রাজ্যের মানুষের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ এক টুকরো ভারতবর্ষ হয়ে উঠল। দেরি না করে আমিও মন্দিরের নিগূঢ় শান্তিটুকু মনে সঞ্চয় করে এগোলাম মূল মন্দিরের দিকে।
শ্রী স্বামী নারায়ণ মন্দিরটি মূলত দুই তলায় নির্মিত, উপরে গর্ভগৃহ, আর নীচে স্বামীনারায়ণ আশ্রমের ইতিহাস ও দর্শন নিয়ে সাজানো মন্দিরের বাকি অংশ। ধাপে ধাপে সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরে উঠে পড়লাম। মূল মন্দিরে ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আসলে গর্ভগৃহের ছবি তোলাটা অনুচিত। আমি মোবাইল ফোন পকেটে গুঁজে ফেললাম। তখন মনটা আরও হালকা লাগছিল, কারণ কোনও দৃশ্য ছবি তোলার প্রয়োজন নেই। যা দেখছি, যা অনুভব করছি, সবই শুধু নিজের জন্য। পুরো মন্দিরটি পাথর কেটে বানানো হয়েছে। সূক্ষ্ম কারুকাজ, স্তম্ভ আর ভারতীয় শৈলীর শৈল্পিক ভারসাম্য রেখে এক অনন্য স্থাপত্য। পাথরের গায়ে খোদাই করা নকশাগুলো দেখে অবাক হতে হচ্ছিলো।
উপরে উঠলে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণটাই এক নজরে দেখা যাচ্ছে। নিচে মানুষের চলাচল, দূরে মন্দিরের অন্যান্য অংশ। ঈশ্বরের সান্নিধ্যে অনন্য অনুভূতি। আমি বেশ কিছুটা সময় মন্দিরের উপরে বসে থাকলাম। ধীরে ধীরে নীচে নেমে প্রবেশ করলাম মন্দিরের সংরক্ষণাগারে। সেখানে স্বামীনারায়ণ মন্দিরের বিভিন্ন গুরুদের স্মৃতি ও অবদান সযত্নে তুলে ধরা হয়েছে। মাঝে প্রকাণ্ড শিবলিঙ্গ। তখন বহু ভক্ত ভগবান শিবের অভিষেক করছিল। জল, দুধ আর মন্ত্রধ্বনির মধ্যে পরিবেশটা মুখরিত হয়ে ছিল।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS








