বসন্তে জয়নগরের মোয়া
নমস্কার বন্ধুরা,
শীত বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে চলে এসেছে, অথচ এবার জয়নগরের মোয়া খাওয়া হয়নি। ইচ্ছে হলেও, সুযোগ পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ সুযোগ এসে গেলো তবে ঘুরিয়ে। লক্ষ্মীকান্তপুরে যাওয়ার নিদেন হলো, সেখানে কিছু কাগজ পত্র আনতে যেতে হতো। সেই দিনটা যেন অজান্তেই আমার কাছে মোয়া যাত্রা হয়ে উঠল। লক্ষ্মীকান্তপুর পৌঁছে জলদি কাজ সেরে নিলাম তারপর লোকাল ট্রেনে চেপে বসলাম জয়নগরের উদ্দেশ্যে। স্টেশনে নেমেই নলেন গুড়ের মিষ্টি সুবাস নাকে এল, শীতের শেষ স্মৃতি এখন ধরে রেখেছে। স্টেশনে দোকান গুলিকে দূরে সরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেলাম, রামকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডারে। বিকেলের আলো নরম হয়েছে, কিন্তু দোকান যেন অন্য এক সময়ে, তখন ভিড় আর কোলাহল।
ভিড় ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ল বড় বড় তামার কড়াই। সারি দিয়ে বসে কারিগরেরা কড়াই থেকে নিপুণ হাতে গোল গোল মোয়া বানিয়ে যাচ্ছে। দোকানে তিন ধরনের মোয়া, ৫০০, ৬০০ আর ৭০০ টাকা কিলো। কাউন্টার থেকে জানতে চাইলাম, ফারাকটা কী? গুড়, খোয়া ক্ষীর আর খইয়ের মান। কিন্তু দাঁড়িয়ে পার্থক্য বোঝা দায়। শেষমেশ ভাবলাম, প্রতিদিন এখানে আসা হবে না। তাই মনকে এবং পকেটকে বুঝিয়ে ৭০০ টাকার দু কিলো কিনে ফেললাম। সেই সাথে কিনলাম দশ পিস নলেন গোলের রসগোল্লা। মোয়ার প্যাকেট হাতে বেরিয়ে আসতেই মনে হল শুধু মিষ্টি নয়, বঙ্গের শীতের এক টুকরো স্মৃতিটুকু নিয়ে ফিরছি। বাইরে তখন গোধূলির আলো।
ফিরতি ট্রেনে যে কি ভয়ানক ভিড়, ট্রেনের কামরায় উঠতেও বেশ কষ্ট করতে হলো। দাঁড়ানোর জায়গায় নেই। ট্রেন চলতে চলতে অন্ধকার নেমে এলো, সেই সাথে শীতল হাওয়া ট্রেনে জানলা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে থাকলো। প্যাকেটটা ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে রেখেছি, সাবধানতার মার নেই। মোয়া দেখে যদি কেউ হামলে পড়ে। হাঃ হাঃ।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS








