পুজোর পরদিনের আমন্ত্রন
নমস্কার বন্ধুরা,
ফলহারিণী কালীপুজোর পরদিন আবার আমন্ত্রণ ছিল। পুজোর রাতে মা কালীর চরণে নিবেদিত সম্পূর্ণ নিরামিষ ভোগ পেয়েছিলাম। আর ঠিক পরদিন কাছের মানুষ এবং আত্মীয়স্বজনদের পাত পেড়ে আমিষ ভোজের আসর ছিল। দুপুর গড়াতেই দেরি না করে পৌঁছে গেলাম। ধীরে ধীরে লোকজন আসা শুরু করেছে। ভিড় বাড়তে দেখে একদম প্রথম ব্যাচেই জায়গা নিয়ে বসে পড়লাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোজের সূচনা হলো। ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত আর শুক্তো দিয়ে। সাধারণত শুক্তো নিয়ে অনেকের অনেক নাক সিটকানি থাকে, কিন্তু আমার খুবই ভালো লাগে। আর সেদিনের শুক্তোর স্বাদ যে কতখানি ভালো ছিল, তা লিখে বোঝানো সম্ভব নয়। আমি দুবার নিয়েছিল্ম। হালকা তেতো আর মিষ্টির নিখুঁত ভারসাম্য।
শুক্তো পর্ব শেষ হতেই পাতে পড়ল সোনা মুগের ডাল আর তার সাথে আলু সেদ্ধ। ডালের থেকে হালকা ঘিয়ের সুবাস ভেসে আসছিল। উফ, এককথায় দুর্দান্ত! এরপর পাতে এল আসল চমক। আগে অল্প একটু ভাত চেয়ে নিলাম। পরিবেশন হলো মাছের মাথা দিয়ে তৈরি গরম গরম ছ্যাঁচড়া। পুঁইশাক, নানাবিধ সবজির মেলবন্ধন!
আসল আকর্ষণ তখনও বাকি ছিল। ছ্যাঁচড়ার পর্ব মিটতেই পাতে এল সর্ষে পাবদা। পাবদা মাছের সাইজ দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ! মাছের ওজন কমপক্ষে ৩৫০ গ্রাম তো হবেই। সর্ষের ঝালে মাখামাখি। মাছ বড় হলেও স্বাদ এককথায় স্বর্গীয়। এরপর দ্বিতীয় মাছ হিসেবে পাতে এলো কাতলা কালিয়া। সেই মাছটিও নিঃসন্দেহে ভালো ছিল, কিন্তু পাবদা খাওয়ার পর কাতলার স্বাদটা যেন ঠিক জমছিল না।
সৌভাগ্যবশত মাছ যাচাই করতে এলো আমি আরও এক পিস সর্ষে পাবদাই নিলাম। সবশেষে পাতে পড়ল আমের চাটনি, মুচমুচে পাঁপড় আর মিষ্টি দই। চাটনি খেয়ে দইয়ের ভাঁড় নিয়ে হাত ধুয়ে উঠে পড়লাম। পেট তখন ফুলে উঠেছে। ঘরের দিকে এগোলাম, কিছু সময় পরে জেগে থাকা সত্যিই কঠিন হবে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS







