গড়চুমুক মিনি চিড়িয়াখানা পর্ব ২
নমস্কার বন্ধুরা,
গড়চুমুক চিড়িয়াখানার পাখির রাজ্য আর অজগরের খাঁচাটুকু পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম। অল্প কিছু দূর হেঁটে যেতেই পেলাম একটা ছোট ঘেরা জলাশয়, তার পাড়ে শান্ত হয়ে শুয়ে দুটো মিষ্টি জলের কুমির। শীতের সকালের রোদের তাপে নিশ্চল ভাবে শুয়ে আছে। বুঝলাম শীতের আমেজ ভালই উপভোগ করছে। তাই সেগুলোকে আর খুব একটা জ্বালাতন করলাম না। কুমিরের আশেপাশে বেশ কয়েকটি সরীসৃপদের চেনা ঘর থাকলেও শীতের কারণে যার যার গর্তের ভেতর গুটিসুটি মেরে ঢুকেছিল। শীতের এই অলস রোদে নিজেদের চেনা আশ্রয়ের বাইরে বেরোনোর ঝুঁকি নেয়নি বেশিরভাগ। সরীসৃপদের নিস্তব্ধ জগৎ পার করে আমি এসে পৌঁছলাম আরও একটা বড় পাখির খাঁচার সামনে।
খাঁচার ভেতর কয়েকটা গোল্ডেন ফিজ্যান্ট। মাথার ওপর সোনালী রঙের ঝুঁটি আর গায়ের গাঢ় লাল হলুদ রঙের পালক। পাখিটির ব্যাপারে যতটুকু জানি, এরা খুব বেশি উড়তে না পারলেও মাটিতে অত্যন্ত জোরে দৌড়াতে পারে। খাঁচার ভেতরে এদেরকেই সবচেয়ে বেশি চঞ্চল দেখলাম। গোল্ডেন ফিজ্যান্টের রঙের বাহার দেখে একটু এগোতেই পেলাম কয়েকটা সজারু। তাদের খাঁচার উপরে রোদ নেই তাই শীতের আমেজে তারা গুটিসুটি মেরে আছে। সজারুর খাঁচা পেরিয়েছি এক অদ্ভুত সুন্দর প্রাণীর দেখা মিলল, সবুজ ইগুয়ানা। রোদ পেয়ে সে এক পরম শান্তিতে বসে আছে।
চিড়িয়াখানার একদম শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছলাম, সেখানে বড় আকাশ খোলা ঘেরাটোপের মধ্যে আছে তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণী। প্রথমে দেখা মিলল ভারতের বিখ্যাত ও বিশালাকার অ্যান্টিলোপ প্রজাতি নীলগাই। নীলগাইয়ের সংখ্যা হাতে গোনা, মাত্র তিন চারটে হবে। তবে নীলগাইয়ের আরেকদিকে দল বেঁধে চিতল হরিণ। দুই প্রজাতি দুই দিকে আছে। পার্থক্য একদম স্পষ্ট। চেহারাই বলে দেবে কোনটা হরিণ আর কোনটা অ্যান্টিলোপ। আরব বেশ কিছু প্রাণী দেখতে পেয়েছিলাম তবে সেইগুলো ছবি তোলবার মতো জায়গায় ছিল না, তবে যেটুকু ছবি তুলতে পেরেছি সবই আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS










