মনের কথা বলা কঠিন হয়ে যায় কেনো?

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

মনের কথা বলা অনেক সময় সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ে। এটা শুধু ভাষার সমস্যার কারণে না, বরং মানসিক জড়তা, ভয়, অভিজ্ঞতা আর আশপাশের মানুষের প্রতিক্রিয়া থেকেই আসে। সব কথা বলার মতো সহজ না। অনেক সময় মনে হয় কেউ বুঝবে না, কেউ গ্রহণ করবে না, কেউ হয়তো ভুল বুঝে দূরে সরে যাবে। এই ভয়গুলোই মনের দরজা বন্ধ করে দেয়।

আর একটা বড় কারণ হলো, আমরা ছোট থেকে শিখে আসি যে কষ্টের কথা চেপে যেতে হয়, নিজের অনুভূতির জায়গাটা গোপন রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। কেউ যদি বেশি মনের কথা বলে, তাকে হয়তো ‘দুর্বল’ ভাবা হয়। তাই অনেকে নিজের মধ্যেই সব জমিয়ে রাখে।আরেকটা জিনিস হলো, প্রত্যেকটা মানুষ সবসময় নিজের অনুভূতি ঠিকভাবে গুছিয়ে বলতে পারে না। অনেক সময় হয়তো মনের ভিতর অনেক কিছু চলে, কিন্তু ভাষায় প্রকাশ করার মতো শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন চুপ করে থাকাটাই সহজ মনে হয়।

এছাড়াও কিছু মানুষ এমন অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছে যেখানে তারা মনের কথা বলেছিল, কিন্তু অপমানিত হয়েছিল, উপহাসের শিকার হয়েছিল বা কেউ গুরুত্ব দেয়নি। তখন পরবর্তীতে তারা নিজের সুরক্ষা বোধ থেকে আর কিছু বলতে চায় না।অনেক সময় খুব কাছের মানুষের কাছেই কথা বলা কঠিন হয়ে যায়। কারণ সেখানে সম্পর্কটা ভেঙে যাওয়ার ভয় কাজ করে। মনে হয়, বললে হয়তো দূরত্ব তৈরি হবে, তাই চুপ থাকা হয়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, মনের কথা বলা কঠিন হয়ে যায় কারণ ভেতরে একটা যুদ্ধ চলে কী বলবো, কাকে বলবো, বললে কী হবে। কিন্তু আসলে নিজের ভেতরের কথা বলার মতো একজন মানুষ থাকাটা অনেক স্বস্তির, অনেক হালকা করে দেয়। কিন্তু সেই মানুষটা খুঁজে পাওয়া, আর সাহস করে বলা এই দুটোই সবচেয়ে কঠিন।

ABB.gif