নিজের ভেতরের শিশুটাকে বাঁচিয়ে রাখা কেনো জরুরি
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমরা সকলে একটা সময় পরে অনেক বেশি ম্যাচিওর হয়ে যায়। আর ওই সময়টা পরে আসলে আমরা এতটাই ম্যাচিওর হয়ে যাই যে, আমরা আমাদের ম্যাচিউরিটি ধরে রাখার জন্য এবং আসলে আমরা আমাদের ওই ব্যক্তিত্ব ধরে রাখার জন্য, আমাদের মধ্যে যেই শিশুটি বেঁচে থাকে কিংবা আমাদের মধ্যে যে শিশুটি বড় হয়, সেটাকে আমরা একটা সময় গলা টিপে মেরে ফেলি। তাহলে হয়তো আপনারা ব্যাপারটি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।
আমি আসলে যেটা বলতে চাইছি, সেটা হলো আমাদের সকলের মধ্যেই একটা শিশু বসবাস করে। যেই শিশুটি আসলে পৃথিবীর এত ঝামেলা কিছুই বুঝে না, এত সমস্যার মধ্যে দিয়ে আসলে সে যেতে চায় না। এবং আসলে আমরা অনেক সময় দেখবেন, যে অনেক কিছুর ক্ষেত্রে কিন্তু অনেক খুশির মুহূর্তেই অনেক আনন্দিত হয়ে উঠি এবং একটা ছোট শিশুর মতনই আচরণ করি। সেটা আসলে আমাদের ক্ষণিকের বহিঃপ্রকাশ হয়। কিন্তু যখন কিছুটা সময় পার হয়ে যায়, তখন কিন্তু আমরা আবার আমাদের সেই আগের অবস্থানে ফিরে আসি। এবং আমরা যে ওই যে কিছুক্ষণ আগে শিশুর মত আচরণ করেছি, সেটার থেকেও নিজেরা দূরে থাকতে চাই।
কিন্তু আমি মনে করি, সেটা থেকে দূরে থাকাই কোনো সমাধান নয়, কিংবা কোনো দরকার নেই। আমাদের সকলের মধ্যে যে নিষ্পাপ একটি ব্যাপার থাকে, সেটা রাখাটা বরং অনেক বেশি জরুরি। কারণ এই নিষ্পাপ ব্যাপারটি, কিংবা অতিরঞ্জিত করে আমরা যদি সেটাকে বাদ দিয়ে দেই এবং ম্যাচিউরিটির চিন্তা করতে করতে আমরা যদি আসলে আমাদের ওই নিষ্পাপ সত্তাকে বলি দিয়ে দেই, তাহলে কিন্তু আসলে সেখানে কোনো কৃতিত্ব নেই, কিংবা কোনো প্রয়োজন বলি বা লাভ বলি, কোনটাই নেই।
কারণ আমি মনে করি, আসলে নিজের ভেতরের শিশুটাকে বাঁচিয়ে রাখা অনেক বেশি জরুরি। অর্থাৎ, আমাদের ওই নিষ্পাপ এক টুকরো মনের জন্যই কিন্তু আমরা এখনো পর্যন্ত অনেক ভালো কাজ করি। সেটা যদি না থাকতো, তাহলে আমরা অনেক ভালো কাজই এখন আর করতে পারতাম না।

