ষাট গম্বুজ মসজিদের জাদুঘর পর্ব-১
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আজ তো চলে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি আগের পোষ্টের মত এই পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। তাহলে দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক।
বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাগেরহাটে অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু একটি স্থাপনা নয় এটি এক জীবন্ত ইতিহাস একটি যুগের গল্প এক অমর স্থাপত্যের বিস্ময় ভেতর ও আশপাশের জাদুঘর যেন ইতিহাসের এক অমূল্য ভাণ্ডার। এখানে সংরক্ষিত প্রতিটি নিদর্শন অতীতের মানুষের জীবনযাপন সংস্কৃতি ও কারুশিল্পের গল্প বলে যায় নিঃশব্দে। ষাট গম্বুজ মসজিদের জাদুঘর যেখানে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন মৃৎশিল্প স্থাপত্য খোদাই পাথরের উপকরণ এবং প্রাচীন সামগ্রী সযত্নে সংরক্ষিত রয়েছে। ষাট গম্বুজ মসজিদ কমপ্লেক্সের এক কোণে অবস্থিত এই জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন উন্মুক্ত থাকে। এটি একটি ছোট হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহশালা। ভিতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বিভিন্ন প্রদর্শনী কক্ষ যেখানে কাচের ভেতরে সাজানো আছে মাটির তৈরি জিনিসপত্র পাথরের খোদাই করা নকশা পুরোনো স্থাপত্যের ইট ধাতব উপকরণ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক খনন থেকে উদ্ধারকৃত নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন। প্রথম দেখাতেই বোঝা যায় এখানে প্রতিটি জিনিসের পেছনে লুকিয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাস।
জাদুঘরের প্রথম দিকের গ্যালারিতেই চোখে পড়ে দৃষ্টিনন্দন টালি ও খোদাই করা ইট। এগুলো মসজিদের দেয়াল ও গম্বুজের নকশায় ব্যবহৃত হতো। প্রতিটি ইটে খোদাই করা ফুল পাতা জ্যামিতিক নকশা এবং আরবী লেখা আজও বিস্মিত করে দর্শনার্থীদের। মসজিদ ও আশেপাশের স্থাপনা ভেঙে পড়ার পর এসব অংশ সংগ্রহ করে এখানে সংরক্ষণ করেছে। প্রতিটি প্লেটে ফুটে উঠেছে মুসলিম বিভিন্ন ইতিহাস। জাদুঘরের পরের অংশে দেখা যায় হাড়িপাতিল কলসি এবং বিভিন্ন ধরণের বাসনকোসন। এগুলো ছিল প্রাচীন বাংলার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কোনো কোনো পাত্রের গায়ে এখনও দেখা যায় হালকা রঙ বা খোদাই করা নকশা যা প্রমাণ করে সে সময়ের মানুষ কেবল প্রয়োজন নয় নান্দনিকতার প্রতিও সচেতন ছিলেন। এটাই ছিল আমার আজকের পোষ্টের গল্প। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে আবার অন্য কোন পোস্টে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই রইল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |










ষাট গম্বুজ মসজিদের জাদুঘরে গিয়ে তো দেখছি অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করেছেন ভাই। জাদুঘরে গিয়ে ঘুরাঘুরি করতে আমার খুব ভালো লাগে। কারণ অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিসপত্র দেখা যায়। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
পুরোনো স্থাপত্য দেখতে আসলেই ভালো লাগে।আশা করি আপনিও বেশ উপভোগ করেছেন জাদুঘরটি ।প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দারুন উপভোগ্য ছিল।যেটা দেখে খুবই ভালো লাগলো, ধন্যবাদ ভাইয়া।