নিঃসঙ্গতার শহরে ভালোবাসার খোঁজ

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

নিঃসঙ্গতা শহরে আমরা যদি ভালোবাসার খোঁজ করতে চাই, তাহলে সেটা বলা যায়। বেমালুম মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ আমরা যত আসলে গভীরে যাচ্ছি, আমাদের জীবনে ততই যেন আমরা ভালোবাসা হারিয়ে ফেলছি। আসলে ভালোবাসা এমন এক পরশপাথর, যেটা ছুঁলেও কষ্ট, আবার না ছুঁলেও কষ্ট। অনেকটা মজা করে একটা কথা রয়েছে বিয়ে হল দিল্লির লাড্ডু, খেয়েও পস্তাতে হবে আর না খেয়েও পস্তাতে হবে।

এই যে ভালোবাসা, কিংবা নিঃসঙ্গতা শহরে ভালোবাসার খোঁজ করা।সবটাই যেন অনেকটা একই সুতোয় বাঁধা, মনে হয় আমার কাছে। আর এটা আমার কেন মনে হয়, সেটা আমি নিজে একটু বিস্তারিতভাবে আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, আপনারাও ব্যাপারটি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

আমি মূলত যেটা দেখেছি, তা হলো আমরা এখন যত দিন যাচ্ছে, তত বেশি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছি। অর্থাৎ, একসাথে থাকা সত্ত্বেও আমরা যেন একলা। অনেক সময় এটা আমাদেরকে খুব বেশি খারাপ অনুভূতি দেয়। যেমন আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ রয়েছে, চারপাশে যেন মানুষের ভিড় জমে গিয়েছে। কিন্তু তবুও, আমরা যেন কোথাও না কোথাও গিয়ে নিঃসঙ্গতায় ভুগি।

এই নিঃসঙ্গতা ভোগার একমাত্র কারণ হলো আমরা হাজার মানুষের ভিড়ের মধ্যেও আমাদের মনের মানুষ খুঁজে পাই না। যেটা বলা চলে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। কারণ, মনের মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই অনেক কঠিন।

আজ এটা না বললেই নয় আমরা যেন নিঃসঙ্গ এক নগরীতে এসে পড়েছি। পৃথিবীতে এখন যেন কারো জন্য কারো কোনও সময় নেই। আমরা সকলেই নিজের মতো করে বাঁচার চেষ্টা করছি, শুধুমাত্র নিজের স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করছি, নিজের জীবন নিয়ে চিন্তা করছি। আর সবচেয়ে বড় কথা নিজের কমফোর্টনেস নিয়ে চিন্তা করছি। কিন্তু, আমাদের যে ভালোবাসার মানুষ রয়েছে, আমরা তাদের নিয়ে খুব একটা চিন্তা করছি না।

আর সে কারণেই, আমরা যখন এই নিঃসঙ্গ শহরে, এই নিঃসঙ্গ জীবনে ভালোবাসার পরশপাথর খুঁজতে যাই, তখন আমরা বারবার হেরে যাই নিজের কাছেই।

ABB.gif