ভাজাপোড়া খাবারের ফটোগ্রাফি
এবার বগুড়ায় কেনাকাটা করতে গিয়ে, ছোট ভাইয়ের বাসায় একদিন ছিলাম, তাছাড়া যেহেতু পুরো পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে হয়েছে, তাই মোটামুটি বেশ ভালই ধকল গিয়েছে আমার উপর দিয়ে।
সন্ধ্যা ছয়টা থেকে একদম রাত্রি বারোটা পর্যন্ত কেনাকাটা করতে হয়েছে বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরে ঘুরে। বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন এবং নিজের পরিবারের জন্য কেনাকাটা। এরমধ্যে দুবার বেশ ভালো খাওয়া দাওয়া হয়েছে, একবার ইফতারের সময় আর একবার রাত্রে ছোট ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার সময়।
তবে তারপরেও এ মার্কেট থেকে ও মার্কেটে যখন ঘোরাঘুরি করছিলাম, সেই ফাঁকে একবার বেশ তৃষ্ণা পেয়ে গিয়েছিল, তাছাড়া বাবু বার্গার খাওয়ার জন্য জেদ করছিল। অবশেষে বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে ভাজাপোড়া খাবারের যে দোকান ছিল, সেখানে কিছুটা সময়ের জন্য বিরতি নিয়েছিলাম আমরা।
আমরা মূলত সবাই চেষ্টা করেছিলাম লেমন জুস খাওয়ার জন্য আর বাবুর জন্য অর্ডার করা হয়েছিল চিকেন বার্গার। যাইহোক বাবু চিকেন বার্গার পেয়ে বেশ ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিল ওর চাচুর সঙ্গে আর এদিকে আমরা লেমন জুস খেয়ে আত্মা ঠান্ডা করেছিলাম।
দীর্ঘসময় গলা শুকিয়ে থাকার পরে, এই ঠান্ডা লেমন জুস যেন নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছিল নিজের ভিতরে। মাঝে মাঝে কাঙ্ক্ষিত বা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হলেও ফুটপাতের দোকানের খাবার আমরা গ্রহণ করে থাকি, তবে এসব খাবার তেমনটা স্বাস্থ্যসম্মত না, তারপরেও লোভের কারণে আমরা খেয়ে বসি।
থাক সেসব কথা, তেলেভাজা খাবার বাঙালির আসলে পছন্দের তালিকায় থাকে, এটাই হচ্ছে মূল কথা। সেদিন সন্ধ্যায় ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলাম, আশাকরি ভালো লেগেছে আপনাদের।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





















Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আমরা বাঙালিরা আর যাই হোক মসলা জাতীয় খাবার আর তেলে ভাজা খাবার গুলো খেতে ভীষণ পছন্দ করি। এগুলো খেতেই আমাদের কাছে ভালো লাগে। যাইহোক অনেক কেনাকাটা করেছেন সবার জন্য। আর তার মাঝে এক ফাকে লেমন জুস এবং বাবুর জন্য বার্গার নিয়ে খাওয়া-দাওয়া করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগছে। যদিও এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত নয় তবুও লোভ তো আসলে সামলাতে পারি না।
আপনার মতামত জেনে ভালো লাগলো, আসলেই আমরা খাবার দেখলে লোভ সামলাতে পারিনা আপু।