সুতরাং মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় এলাকায় বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছি। সরেজমিনে যা দেখেছি, তা হলো—সমসাময়িক সময়ে অনেকেই চাকরির পিছনে না ঘুরে নিজেরাই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার চেষ্টা করছে এবং অন্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে।
এমন উদ্যোগগুলো নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এই যে চাকরি নামক প্রথা, সেখান থেকে বেরিয়ে যখন স্বল্প পুঁজিতে তরুণ যুবকরা নিজ উদ্যোগে এমন কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন অনায়াসেই তাদের প্রতি সম্মান জন্মায়।
স্বল্প পুঁজি বলতে—অল্প কিছু গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগির লালন-পালন দিয়ে শুরু, নতুবা ছোট্ট পুকুরে মাছ চাষ কিংবা ফলজ বৃক্ষের বাগান। এরপর যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত উদ্যোগগুলোকে বড় করার চিন্তাভাবনা।
সফলতার মুখ অনেকেই দেখেছে। অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে নিজেদের ছোট ছোট এগ্রো ফার্মগুলো বড় করছে। বেকারত্বের অভিশাপের ছায়া অনেকের পাশ থেকে সরে গেছে।
সর্বোপরি যে কথা বলতে চাই—চাইলেই আত্মনির্ভরশীল হওয়া সম্ভব, যদি থাকে ইচ্ছা ও মানসিকতা।
আপনার গল্প তখনই অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যখন আপনি নিজে কিছু করতে পারবেন। তার আগে আপনার গল্প কেউ শুনতে চাইবে না—এটাই বাস্তবতা।
সুতরাং মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR




