ক্ষুদ্র চাওয়া
স্থানীয় এলাকায় বিগত আট থেকে নয় বছর ধরে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হয়েছে। একটি স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং অন্যটি সরকারি কলেজ, যেখানে অনার্স কোর্স চালু আছে।
অথচ দুঃখের বিষয়, সবকিছুর পরিবর্তন হলেও এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার কোনো উন্নয়ন নেই। ওই আগের নামেমাত্র শিক্ষক দিয়েই পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বিষয়টি ভাবতেই শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়।
কী এক জগাখিচুড়ি অবস্থা! অথচ বাস্তবতা হলো, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও অনার্স পর্যায়ে সরাসরি শিক্ষাক্যাডারের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োজিত থাকার কথা।
আসলে সবকিছুই কোনো না কোনো সিস্টেমের ওপর চলছে, কিন্তু কার ভেতরে কোন সিস্টেম চলছে, তা কে জানে!
একটি জাতি যদি প্রকৃত অর্থে শিক্ষিত না হয়, যদি তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকৃত শিক্ষক নিয়োগ না করা হয়, তাহলে সেই জাতি জ্ঞানচর্চায় কতটুকু আলোকিত হবে— এসব প্রশ্ন আমাকে বেশ ভাবায়।
গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রোফাইলে এ সংক্রান্ত কিছু কথাবার্তা বলেছি।
কেননা এই বিষয়গুলো আমাকে বহুদিন ধরেই ভাবাচ্ছে। এসবের প্রতিকার দরকার।
প্রকৃত অর্থেই চাই, স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি কলেজে সরাসরি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষক নিয়োগ হোক এবং স্থানীয় ছাত্রছাত্রীরা উন্নত শিক্ষা লাভ করুক।
