তথাকথিত অভিভাবক।
এরা অনেকটা ভ্রাম্যমাণের মতো। এদের কাজই হচ্ছে যেখানেই জটলা, সেখানেই হাজির হওয়া। যৌক্তিক বা অযৌক্তিক বিষয় হিসাব করার মতো সময় এদের হাতে নেই; খালি আছে ‘তালগাছটা আমার’ মনোভাব। কে ভিকটিম আর কে কালপ্রিট—তা না দেখে আইন কিংবা প্রশাসনের সহযোগিতা না নিয়ে, নিজেরাই বিচারক সেজে বসে।
এই ভ্রাম্যমাণ অভিভাবকদের দেখা মিলবে রাস্তাঘাটের মোড়ে, টং দোকানে কিংবা মাঝে মাঝে সর্বত্র। গতদিন স্থানীয় এলাকায় এক বখাটে যুবক কর্তৃক স্কুলপড়ুয়া এক মেয়ে খুব বাজেভাবে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছিল। বিষয়টি যখন পাড়ার সচেতন তরুণদের চোখে পড়ে, তখন তারা বখাটে যুবকটিকে আটকে দেয় এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়।
তখনই মূলত তথাকথিত অভিভাবকদের উপস্থিতি দেখা যায়। এসে যখন তারা দেখল পরিস্থিতি ঘোলাটে, তখন তারা বিষয়টিকে মীমাংসার দিকে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কেননা বখাটে ছেলেটি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত; এজন্যই বিষয়টিকে ভিন্ন দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করা হয়।
প্রথমদিকে তথাকথিত অভিভাবকদের বেশ গরম ভাব দেখা যাচ্ছিল। তারা এমন একটি অপরাধকে স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যখন তরুণদের দেখাদেখি ধীরে ধীরে অন্যরাও আওয়াজ তুলতে শুরু করে, তখন তাদের সেই গরম ভাব কমে যায়।
যেহেতু বিষয়টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের সুনামের প্রশ্ন জড়িত ছিল, তাই শেষ পর্যন্ত কোনোরকমে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তারা স্থান ত্যাগ করে। এই তথাকথিত অভিভাবকরা যেমন মানুষের কাছ থেকে প্রকৃত ক্ষমা কখনোই পায় না, তেমনি মানুষের মনে পরিপক্বভাবে কখনো জায়গাও করে নিতে পারে না।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





