১৯ আগস্ট, ২০২৬ ইং

in আমার বাংলা ব্লগyesterday (edited)

37224.jpg

অবশেষে সবাইকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেল সূচি। হাজারো চেষ্টা করেও কোনোভাবেই তাকে থামানো গেল না।

গত কয়েক দিনে অনেকেই বিভিন্নভাবে সূচির খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সবাইকে সেভাবে উত্তর দিতে পারিনি।

আসলে আইসিইউতে ভর্তি থাকা একজন রোগীকে নিয়ে আগে থেকে তেমন কিছুই নিশ্চিত করে বলা যায় না। প্রতিটি মুহূর্তই ছিল অনিশ্চয়তা আর উৎকণ্ঠায় ভরা।

সেই গোবিন্দগঞ্জ সরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সর্বশেষ নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল,এই দীর্ঘ যাত্রায় বেশ ভালোই ধকল গেছে।

এই যাত্রায় আমার যেসব সহকর্মী, নিকটাত্মীয়, স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, পরিচিত-অপরিচিত মানুষ যেভাবেই পাশে ছিলেন এবং আমাকে মানসিকভাবে ক্রমাগত সান্ত্বনা দিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি রইল অশেষ কৃতজ্ঞতা।

তবে একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই,

গোবিন্দগঞ্জের যেসব স্থানে ক্রমাগত দুর্ঘটনা ঘটে, বিশেষ করে বালুয়া, পান্থাপাড়া ও চাপড়ীগঞ্জে যদি ফুটওভার ব্রিজ থাকত, তাহলে হয়তো অনেক দুর্ঘটনাই এড়ানো সম্ভব হতো।

এমনকি আমার বোন সূচির ভাগ্যেও হয়তো এভাবে অকালমৃত্যু জুটত না।

কিছু মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না, তবুও মেনে নিতে হয়।

কারণ শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না।