শৈশবের হাতছানি।
এবারের ঈদের ছুটিটা যেন একটু আলাদা ছিল…
লম্বা ছুটির কারণে এলাকার অনেক তরুণ, যারা বাইরে পড়াশোনা করে, তারা দীর্ঘদিন পর বাড়িতে ফিরেছিল। বলতে গেলে, অনেকদিন ধরেই বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো—আর সেই সুযোগেই গ্রামের মাঠগুলো আবার ফিরে পেয়েছিল তার পুরোনো প্রাণ।
সকাল-বিকাল মাঠ ভরে থাকত ছেলেদের কোলাহলে। প্রতিদিনই চলত খেলাধুলা—কখনো ক্রিকেট, কখনো ফুটবল। এমনকি পাশের এলাকার সঙ্গেও ম্যাচের আয়োজন হতো। মাঠ যেন আবার জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।
আমি সাধারণত মাঠে যাই না, কিন্তু এবার বাবুর জন্যই যেতে হয়েছে। ও যত বড় হচ্ছে, ততই বাইরের পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। সুযোগ পেলেই চেষ্টা করি ওর ছোট ছোট আবদারগুলো পূরণ করতে।
তরুণদের এমন সক্রিয়তা দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। মোবাইলের আসক্তি ছেড়ে তারা বাস্তব জীবনে ফিরে এসেছে—মাঠে, খেলায়, বন্ধুত্বে। ব্যাপারটা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নিজেও কিছুটা সময় কাটানোর চেষ্টা করেছি তাদের সঙ্গে। আর তখনই বারবার মনে পড়ছিল ফেলে আসা দিনগুলোর কথা—শৈশব, বন্ধুত্ব, সেই নির্ভেজাল আনন্দ।
আজ হয়তো বাস্তবতার কারণে আমরা সবাই দূরে সরে গেছি, কিন্তু যখন এই তরুণদের দেখি, তখন মনে হয়—আমার সেই শৈশব এখনো কোথাও বেঁচে আছে… তাদের মাঝেই।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR






