শেষ মুহূর্তের ইফতার।
ঈদের আগের দিন দুপুরবেলার দিকে গ্রামের তরুণ ছেলেরা হঠাৎই বাসায় এসেছিল। তাদের আগমন দেখে বুঝতে পেরেছিলাম, ওরা কিছু বলতে চায়।
খুব সাবলীল, গোছানো ভাবেই ওরা বলার চেষ্টা করল—যেহেতু শেষ রোজা, তাই তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্রামের সবাইকে একত্রিত করে ইফতার করানোর।
এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আসলে তরুণ ছেলেরা পড়াশোনার তাগিদে বিভিন্ন জায়গায় থাকে। যেহেতু সবাই ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছে, এসেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে। চেষ্টা করলাম নিজের জায়গা থেকে সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য।
ওরা তো বলেই দিল, “অবশ্যই আপনি কিন্তু বাবুকে নিয়ে ইফতারের সময় নির্ধারিত স্থানে চলে আসবেন।”
এই যে দীর্ঘদিন পরে গ্রামের সবাই ইফতারে একত্রিত হবে, টুকটাক কথাবার্তা হবে—এটাই তো উৎসবের অংশ। একই জায়গায় থেকেও আজকাল অনেকের সঙ্গে দেখা কিংবা কথা হয় না।
সেক্ষেত্রে তরুণদের এমন উদ্যোগকে মন থেকেই সাধুবাদ জানাই। সবমিলিয়ে দারুণ উপভোগ করেছিলাম শেষ রোজার ইফতারের সময়টা।
এমন সময় ঘুরে ফিরে আবারও আসুক—এটাই চাওয়া।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR





