মৃদু হাসি
কতজন যে সুযোগের অপেক্ষায় আছে, কতজন যে মুখোশের আড়ালে ক্রমাগত বিষদাঁতগুলোতে শান দিচ্ছে, কতজন যে ছিঁড়ে খাওয়ার জন্য শকুনের মতো তীক্ষ্ণ নজরে রাখছে কিংবা কতজন যে পিষে ফেলে আবর্জনার স্তুপে ছুড়ে ফেলতে সদা প্রস্তুত—তা কিন্তু সবই বুঝি।
এত কিছু জানা–বোঝার পরেও সবাইকে যে আঁকড়ে ধরে বেঁচে আছি, এটাই তো আসল প্রাপ্তি।
আজকাল এই বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারি, কেননা জনকল্যাণমুখী কাজ করতে গিয়ে এমন সব উপলব্ধি হয়েছে।
এই সমাজে আসলে আলো আসুক কেউ তা চায় না। কারণ যারা সমাজে আলো ফেলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে, তারাই তো দুর্নীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
অনিয়ম তাদের কাছে দুধভাতের মতো; তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু প্রত্যাশা করাও বোকামি। তারা যেটা দেখাচ্ছে, মূলত ভদ্রতার মুখোশ—এর বাইরে আর কিছু না।
আমরা যারা জনকল্যাণমুখী কাজের চেষ্টা করছি, ন্যায়–অন্যায় পৃথক করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছি কিংবা সমাজের হর্তাকর্তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছি সমস্যাটা কোথায়—তখনই যেন তারা মৃদু হাসি দিচ্ছে।
তবে এসব মৃদু হাসির পেছনের কারণ আমরা কিন্তু সবই বুঝিই। সুবুদ্ধির উদয় হওয়া বড্ড জরুরি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR






আসলে বর্তমান যুগে ভালো কাজ করতে গেলে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কারণ চারিদিকে খারাপ মানুষের ছড়াছড়ি। তারা নিজেরাও ভালো কাজ করবে না এবং অন্য কাউকেও ভালো কাজ করতে দিবে না। তারা চায় সবাই তাদের মতো অনিয়ম এবং দুর্নীতি করুক। যাইহোক তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক সেই কামনা করছি।
আসলেই ভাই সুবুদ্ধির উদয় হওয়া বড্ড জরুরি।