শুরু হয়ে গেল মাহে রমজান
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রথমেই সকলকে জানাচ্ছি রমজানের শুভেচ্ছা।ত্যাগ, তিতিক্ষা ও সংযমের পবিত্র মাস এটি।চারিদিকে অন্যরকমের একটি আমেজ পরিলক্ষিত হয়, বিশেষ করে মুসলিম কান্ট্রি গুলোতে।এ দেশেও সেটা বেশ ভালই বোঝা যায় যখন বাঙালি শপগুলোতে সকলে রোজার বাজার করতে যায়।এত ভীড় হয় যা কল্পনার বাইরে।আমাদের বাজারও হয়েছে লন্ডনের মাছ বাজার থেকে।মানুষজন সকলে হুর মুড়িয়ে পরে এই শপটিতে।আর আমাদের এখানে তো প্রতিদিন বাজার করা হয় না, মাসের বাজার একসাথেই করা হয়।আর এ কারণেই এত বেশি ভিড় হয়।আর রোজার সময় তো বুঝতেই পারছেন ভীড় কতটা হতে পারে।
যাইহোক আলহামদুলিল্লাহ প্রথম রোজাটি বেশ ভালোভাবেই কেটেছে আমাদের।পরিবারের সকলে মিলেই রোজা ছিলাম।বরাবরের মতো এবারও হাজব্যান্ড রেস্টুরেন্ট থেকে আমাদের জন্য ইফতার পাঠিয়েছে। রেস্টুরেন্টের স্টাফদের জন্য যখন ইফতার বানানো হয় তখন সেখান থেকে আমাকেও পাঠিয়ে দেয়।তাই আমার ইফতার তেমন বানানো হয় না।শুধুমাত্র হাসবেন্ডের যেদিন অফ ডে থাকে সেদিনই শুধু বানাই।আর যেহেতু সন্ধ্যা বেলায় হাজবেন্ডকে রেস্টুরেন্টে থাকতে হয় তাই সে রেস্টুরেন্টে ইফতার করে।আর আমরা মা মেয়েরা বাসায় করি।আমার ছোট জন প্রথম দিন রোজা ছিল, কিন্তু আজ আর রাখেনি। বলে অনেক hungry হয়ে যাই, আর পেটে ব্যাথা করে তাই একদিন পরপর থাকবো।তখন বললাম ঠিক আছে তোমার যখন ভালো লাগবে তখন রাখবে।যাই হোক চলুন তাহলে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আমাদের গতকালের ইফতার গুলো।
![]() | ![]() |
|---|
খেজুর, জিলাপি আরও সাথে ছিল নিমকি। এগুলো হাসবেন্ড বাজার থেকে এনেছিল।
রেস্টুরেন্ট থেকে পাঠিয়েছিল ছোলা, বড়া, আলুর চপ, বেগুনি, আখনি বিরিয়ানি সহ আরও কয়েক রকমের আইটেম।আর আমি বাসায় করেছিলাম এগ ডেভিল, ভেজে ছিলাম কাবাব, চিকেন রোল, নাগেট। যেহেতু প্রথম রোজা, আর আমার দুটি বাচ্চাই রোজা ছিল তাই একটু বেশি আইটেম করার চেষ্টা করেছিলাম।
আর ইফতারের পর কিছু ফল ফ্রুটস খেতে বেশ ভালোই লাগে তাই এগুলো রেখেছিলাম।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR











বাচ্চারা রোজা রাখলে তখন ওদের পছন্দ মতো খাবার তৈরি করার ইচ্ছে হয়।মেয়েরা রোজা রাখায় ভাইয়া ইফতার পাঠিয়ে দেয়ার পর ও আপনি কিছু তৈরি করলেন। সুন্দর অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই।