বোলারদের বিধ্বংসী স্পেল!
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটা পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল আইপিএল এর আরেকটি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো হায়দরাবাদ এবং রাজস্থান। রাজস্থান ইতোমধ্যে সব ম্যাচ অর্থাৎ যেগুলো আপাতত খেলা হয়েছে, তার মধ্যে ভাল পারফরম্যান্স করে জিতেছে। এদিকে হায়দরাবাদ একেবারে খারাপ খেলছে না, কিন্তু তেমন একটা ভালোও না আবার। আসলে দুটো হেরে নেট রান রেট অনেক কম হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরেও ৪ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। রাজস্থান এখনও শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে বিষয়টা এখন দেখা দরকার যে, শেষ পর্যন্ত নেট রান রেট কার কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত পরশু ম্যাচটা মুম্বই জিততে পারতো, কিন্তু উইকেট ধরে রাখতে পারেনি। এদিকে রোহিত ব্যথা পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।
তবে যাইহোক, বেঙ্গালুরু ভালোই করছে। একটা টানটান উত্তেজনা কাজ করছে এই টিমগুলোর মধ্যে। যাইহোক, গতকাল ম্যাচটা হয়েছে হায়দরাবাদ এর পিচে আর টস জিতেছিল রাজস্থান। তারা আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। এই ম্যাচে হায়দরাবাদ এর শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না। কারণ অভিষেক প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেয়। জোফরা প্রথমে দারুণ লেন্থ এর মাধ্যমে বোলিং শুরু করেছিলো। এমনিতেই ওপেন বোলার হিসেবে দারুণ বোলিং করে, সেটা জাতীয় টিমে হোক বা এই আইপিএল এর মতো ম্যাচে হোক। এখানে বেশ শুরুটা ভালোই করে দেয়। আর এমনিতেই নতুন বলে লেন্থ হয় দারুণ।
হেডও এখানে বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি, কিছুক্ষণ পরে সেও ক্যাচ আউট হয়ে যায়। কিন্তু এই ম্যাচে দুইজন শুরুতেই পড়ে গেলেও খুব বেশি একটা খারাপ প্রভাব পড়েনি, কারণ ইশান কিষান এসে একাই রান রেট বাড়িয়ে নিয়ে গেছে। এ এমন একজন ব্যাটসম্যান, যে কখনো নিজের জন্য খেলে না। সম্পূর্ণ নিজের মতো করে খেলে যায়, তাতে আউট হলে হলো, নাহলে রান করে গেলো। এই ম্যাচেও তাই, বল করতে যতক্ষণ, বাউন্ডারি যেতে তার থেকেও কম সময় লাগে। এসেই মেরে স্টাইক রেট ২০০+ করে ফেলেছে। প্রতিটা ওভারেই বাউন্ডারি যাচ্ছে, তার মধ্যে ওভার বাউন্ডারি বেশিই থাকে। তার সাথে আবার ক্লাসেন, দুইজনে সমান তালে পিটিয়ে যাচ্ছে, যেনো বাউন্ডারির বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
ইশান কিষান ৪৪ বল খেলে ৯১ করেছিলো এবং ক্লাসেন ২৬ বলে ৪০ করেছিলো। দুজনেই একটা শক্তিশালী পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিল। রান রেট ওখানেই বেড়ে গিয়েছিলো আর লাস্ট ওভারে ১৬-১৭ রান নেওয়ায় টোটাল ২১৬ রানে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর রাজস্থান ব্যাটিং করতে নেমে যেভাবে ধ্বসে গেলো, তা দেখে আমি রীতিমত অবাক। ১ ওভারে পরপর ৩ জন এবং সব মিলিয়ে পরপর টোটাল ৪ জন জিরো রানে আউট হয়ে যায়, জাস্ট সারপ্রাইজ হয়ে গেছি আমি। মানে টপ এবং মিডিল অর্ডার সম্পূর্ণ ভেঙে শেষ। রাজস্থানের কোমর এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে, যে উঠে দাঁড়ানোর মতো কোনো উপায় ছিল না, এত বড়ো রানের সামনে। পরে জাডেজা আর ডোনোভান একটা লম্বা পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিল বলে রান দেড়শো হয়েছিলো। উইকেট প্রথমে ওভাবে না পড়লে অন্যরকম ব্যাপার হতো।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |





