পরিত্যক্ত হাসপাতালের রহস্য ( পর্ব ১৩ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে নতুন একটি গল্প "পরিত্যক্ত হাসপাতালের রহস্য" এর ১৩ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর একটা বিকট আঘাতে কাচটা ফেটে গেল। সাথে সাথে আরেকটা আঘাত- কাচ চূর্ণ হয়ে ভেতরে ছিটকে পড়ল। ধুলো আর কাচের টুকরোর মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে সেই জিনিসটা। এই দৃশ্য দেখে অর্ণবের গা শিউরে উঠল। আর এই ছায়াটা কোনো মানুষ নয়। কারণ তার ত্বক ছেঁড়া, শরীরে সেলাইয়ের দাগ, চোখ একদম কালো গর্তের মতো। মুখের একপাশ ছিঁড়ে ঝুলছে এবং বুকের হাড় দেখা যাচ্ছে। অদ্ভূত একটা দৃশ্য, যা অর্ণবকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। এটা যেন বহু মৃতদেহ জোড়া লাগিয়ে তৈরি। সে ধীরে ধীরে মাথা কাত করে অর্ণবের দিকে তাকাল। তারপর এক অদ্ভুত গলায় বলল- তুমি, আবার ফিরে এসেছো!
তখন অর্ণব বললো- আমি! আমি তো কখনও আসিনি। ছায়াটি হঠাৎ হেসে উঠলো আর একটা ভয়ঙ্কর, ভাঙা কন্ঠে বললো- তুমি আমাদের নেতা ছিলে। তখন হঠাৎ করে অর্ণবের মাথায় সব পুরনো স্মৃতি ফিরে আসতে লাগল- আইসোলেশন ওয়ার্ড, রোগীরা পাগলের মতো আচরণ করছে, ডাক্তাররা পরীক্ষা করছে, মানুষ মারা যাচ্ছে। আর সে- তাদের মধ্যে একজন, সবচেয়ে হিংস্র এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক। ছায়াটি চিৎকার করে উঠে বললো- তুমি সবাইকে মেরেছিলে এবং পরে নিজেকেও। অর্ণব চিৎকার করে উঠে বললো- না!!! এরপর হঠাৎ করে সবকিছু অদৃশ্য হয়ে গেল। অর্ণব আবারও সেই হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার করিডরে দাঁড়িয়ে। হাত মুক্ত, কিন্তু কোনো বেড নেই।...
