হাওয়ায় চেপে
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
সীমান্তে একটা দুঃস্বপ্ন দাঁড়িয়ে থাকে
কাঁটাতারের মতোই সোজা,
কিন্তু তার ছায়া বেঁকে যায় মানুষের ঘরের দিকে।
রাতে বাতাসও সেখানে পাসপোর্ট চায়,
নদীও যেন ভয়ে ভয়ে বয়ে যায়—
কোন পাড়ে তার জন্ম,
কোন পাড়ে তার অপরাধ,
সে নিজেও জানে না।
একজন মা দূরের আলো দেখে ভাবে—
ওটাই হয়তো তার সন্তানের ফেরা,
অথচ আলোটি কেবল পাহারার টাওয়ার,
যেখানে মানুষের চোখের বদলে
নিয়ম জেগে থাকে সারারাত।
সীমান্তে মাটি আলাদা নয়,
ধানের গন্ধ আলাদা নয়,
পাখির ডানা কোনো দেশের মানচিত্র মানে না—
তবু মানুষের বুকের মাঝখানে
কে যেন টেনে দেয় অদৃশ্য এক রেখা।
সেখানে ঘুম ভাঙে বুটের শব্দে,
স্বপ্ন ভাঙে নাম-ধাম জিজ্ঞাসায়,
আর শিশুরা শিখে যায় খুব ছোট বয়সে—
আকাশ সবার হলেও
মাটিতে দাঁড়াতে হলে প্রমাণ লাগে।
সীমান্তে একটা দুঃস্বপ্ন আছে,
যার মুখ নেই, শুধু আদেশ আছে;
যার হৃদয় নেই, শুধু নথি আছে;
যার হাতে বন্দুক,
আর পকেটে মানুষের অসমাপ্ত ফেরার গল্প।
কেউ আসে রুটির খোঁজে,
কেউ আসে ভয়ের হাত থেকে পালিয়ে,
কেউ শুধু ভুল করে নদীর স্রোতকে বিশ্বাস করে—
তারপর পৃথিবী তাকে বলে,
তুমি এপারের নও,
ওপারেরও নও।
তবু ভোর হলে দেখা যায়,
কাঁটাতারের গায়ে শিশির জমে আছে—
যেন রাতভর কেউ নীরবে কেঁদেছে।
আর সূর্য ওঠে এমন নির্লজ্জ স্বাভাবিকতায়,
যেন মানুষের তৈরি সব বিভাজন
তার আলোকে কোনোদিন শেখানোই যায়নি।
সীমান্তে তাই দুঃস্বপ্নের মধ্যেও
একটা ক্ষীণ মানবিক সকাল বেঁচে থাকে—
যেখানে একদিন হয়তো
মানুষ মানুষকে আগে চিনবে,
তারপর খুঁজবে তার দেশ।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



